শনিবার ২৫ মে ২০২৪ ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

শিরোনাম: বাংলাদেশ ব্যাংকের নজর এড়িয়ে কীভাবে অর্থ পাচার হয়, প্রশ্ন দুদকের    চিকিৎসকরা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ লিখছেন কিনা খতিয়ে দেখবে অধিদফতর    আনার হত্যাকাণ্ড তদন্তে কলকাতা যাচ্ছে ডিবির একটি টিম    সমুদ্রবন্দর সমূহে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত    শাহাদাত নামে নতুন জঙ্গি সংগঠনের খোঁজ পেয়েছে র‌্যাব    রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শনিবার রাত থেকেই মহাবিপদ সংকেত দেখানো হতে পারে    আইপিএল ফাইনালে নেই ভারতের বিশ্বকাপ দলের কোনো ক্রিকেটার   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বিচারপতি সংকটে আপিল বিভাগে ঝুলে আছে গুরুত্বপূর্ণ মামলা!
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ২:৩৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রধান বিচারপতিসহ মাত্র পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন আপিল বিভাগে। বর্তমানে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে বিচারকাজ চলছে। এ কারণে মামলা নিষ্পত্তির হার যেমন কমেছে, তেমনি বিচারপতি সংকটে ঝুলে রয়েছে ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ, পিলখানা হত্যা মামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলা। এ অবস্থায় আপিল বিভাগে দ্রুত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে রিটকারী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, “আপিল বিভাগে ১১ জন বিচারপতি থাকার কথা। সেখানে মাত্র পাঁচজন বিচারপতি আছেন। কোনো কেবিনেট সেক্রেটারি বা স্পিকারের পদ যদি খালি হয় সেটা কিন্তু দ্রুত নিয়োগ দিয়ে পূরণ করা হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পদ খালি থাকার পরও দীর্ঘদিন নিয়োগ হয় না। আমি মনে করি, বিচার বিভাগের সঙ্গে সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। এটা বিচার বিভাগবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি নয়। আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ না করার ফলে মামলার জট তৈরি হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলো নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি সরকারের কাছে দ্রুত আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, আপিল বিভাগের বিচারপতি সংকট কাটাতে চার থেকে পাঁচজন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ঈদের ছুটি শেষে সর্বোচ্চ আদালত খোলার পরই আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হবে। দীর্ঘদিন আপিল বিভাগের দুটি বেঞ্চে বিচারকার্য চলত। বিচারপতি স্বল্পতার কারণে বর্তমানে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে বিচারকার্য চলছে। বিচারক নিয়োগ দেওয়ার পর মামলাজট নিরসন করতে আগের মতো দুটি বেঞ্চে বিচারকার্য পরিচালনা করা হবে।  

জানতে চাইলে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, “আপিল বিভাগে বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। আশা করছি, ঈদের পর সরকার আপিল বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগ দেবেন।’

তিনি বলেন, “ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানিতে বর্তমানে যে পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন, তারা শুনতে পারবেন। তবে, পিলখানা হত্যা মামলার আপিল শুনানির জন্য চারজন বিচারপতির আলাদা বেঞ্চ লাগবে।”

সংবিধান অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকে আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়। সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।’

আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘এটা তো মহামান্য রাষ্ট্রপতির ব্যাপার। যতটুকু আমি জানি, শিগগিরই আপিল বিভাগে তিনি বিচারপতি নিয়োগ দেবেন।’

আপিল বিভাগে কতজন বিচারপতি থাকবেন, সে বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, “কতজন বিচারপতি আপিল বিভাগে থাকবেন সে বিষয়ে সংবিধানে কিছু লেখা নেই। অনেক সাংবাদিক লেখেন, আপিল বিভাগে বিচারপতির পদের সংখ্যা ১১টি। এটা সঠিক নয়। কারণ, সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই। একসময় ১১ জন বিচারপতিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার কারণ হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা পরিচালনা। কিন্তু সেসময় যারা ছিলেন তাদের মধ্যে অনেকেই বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় দিয়েছেন এবং কিছু বিচারপতি বিব্রতবোধ করেছিলেন। সেজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় সর্বনিম্ন পাঁচজন বিচারপতিসহ সবমিলিয়ে ১১ জন বিচারপতি আপিল বিভাগে নেওয়া হয়েছিল।”

সংবিধানে যা বলা আছে

সংবিধানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতির কোনো সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির পরামর্শ ও প্রয়োজন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন সময়ে বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে সংবিধানের ৯৪ (২) অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকের সংখ্যা নির্ধারণ ও নিয়োগ দিয়ে থাকেন।’

ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি (যিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যে-রূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজনবোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হইবে। সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত বিচারপতি পদে থাকা যায়।’

ঝুলে আছে ‘হেভিওয়েট’ মামলা

পিলখানা হত্যা মামলা

আপিল বিভাগে বিচারক সংকটের কারণে এখনও আলোচিত পিলখানা হত্যা মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়নি। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আগেই বলেছেন, তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পিলখানা হত্যা মামলার রায় দিয়েছিলেন। এখন আপিল শুনানি করতে গেলে আপিল বিভাগের চারজন বিচারপতির সমন্বয়ে একটি বেঞ্চ প্রয়োজন। আসামি ও সাক্ষীর দিক থেকে এটি অনেক বড় মামলা। তাই আপিল শুনানিতে কয়েক মাস লাগতে পারে। যে কারণে আপিল বিভাগের আলাদা একটি বেঞ্চ করতে হবে।

পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহে সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের মামলায় ২০২০ সালের ৭ জানুয়ারি নিম্ন আদালতে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ জনের মধ্যে ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম বড় এ মামলায় ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আট আসামিকে যাবজ্জীবন ও চারজনকে খালাস দেন আদালত। একই সঙ্গে বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড নেতা তোরাব আলীসহ ১২ জনকে খালাস দেন আদালত।

বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

এছাড়া, বিচারিক আদালতে তিন থেকে ১০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ২৫৬ আসামির মধ্যে ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ১২৮ জন। তাদের মধ্যে- আটজনকে সাত বছর, চারজনকে তিন বছর এবং দুইজনকে ১৩ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। খালাস পান ২৯ জন। পাশাপাশি ২৮ জন আপিল করেনি। মারা যান তিনজন।

এদিকে, বিচারিক আদালতে খালাস পাওয়া ৬৯ জনের মধ্যে ৩১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং চারজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। এছাড়া, ৩৪ জনকে খালাস দেওয়া হয়। দুই দিন ধরে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

২০১৫ সালে এ মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়। এই বেঞ্চে ৩৭০ কার্যদিবসে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি হয়। ওই সময়ের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমসহ বিভিন্ন আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তরে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউ মার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। বিচার হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্মিত অস্থায়ী এজলাসে।

ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিডিআরের সাবেক ডিএডি তৌহিদসহ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, বিএনপিদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু (প্রয়াত) ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২৭৭ জনকে খালাস দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলাটি এখনও নিম্ন আদালতে বিচারাধীন।

ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ

‘বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী’ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেওয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ শুনানির জন্য অসংখ্যবার কার্যতালিকায় আসলেও এখনও শুনানি শুরু হয়নি। জানা গেছে, আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের পরই ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি শুরু হবে।

এর আগে ২৩ নভেম্বর (২০২৩ সাল) সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা বহালের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদন আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ শুনতে পারবেন (কমপিটেন্ট) বলে সিদ্ধান্ত দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বর্তমানে আপিল বিভাগে পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন।



২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেওয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন দাখিল করা হয়।

আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ ৯০৮ পৃষ্ঠার এ রিভিউ আবেদনে ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে ৯৪টি যুক্তি দেখিয়ে আপিল বিভাগের রায় বাতিল চাওয়া হয়।

২০১৭ সালের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ।

২০১৬ সালের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় দেন। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Vorer-pata-23-12-23.gif
http://www.dailyvorerpata.com/ad/bb.jpg
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Screenshot_1.jpg
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]