রবিবার ১৯ জুলাই ২০২৬ ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: ইরানের হামলায় জর্ডানে ২ মার্কিন সেনা নিহত   আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে বিপদে স্পেন   সৌদিতে হামলা মানেই পাকিস্তানে হামলা, তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা ইসলামাবাদের   বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটে আগুন, একটির দাম ৩৪ লাখ   রাজাকারদের বর্জন করতে হবে, না হলে বাংলাদেশ থাকবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   ফিফার বিশ্বকাপ লভ্যাংশ থেকে অর্থ পাবে বাংলাদেশও   আবারও কলকাতায় আসছেন মেসি, ঢাকায় আসবেন কি বিশ্বজয়ী তারকা?   
৩৮ বছর শিক্ষকতার করে লেবু বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন আব্দুল লতিফ!
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৩:১৮ পিএম   (ভিজিট : ৯৭২৮)

৩৮ বছর শিক্ষকতা করার পর লেবু বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন আব্দুল লতিফ। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে জীবনের শেষ বয়সে এসে পথ বেছে নিতে হয়েছে শিক্ষক আব্দুল লতিফকে। ফুটপাতে বসেই এখন লেবু বিক্রি করছেন ৭৪ বছর বয়সী এই শিক্ষক। 

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত যশোর সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন আবদুল লতিফ।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করলেও বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের তালিকাভুক্ত পরীক্ষক ছিলেন। ২০১৪ সালে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর নেন।
আরো পড়ুন

অবসরের পরে  যে টাকা পেয়েছিলেন, তা দিয়ে যশোর শহরের পোস্ট অফিস পাড়ায় দুইতলা একটি বাড়ি করেন।

বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে তিনি নিজে থাকেন আর অপর ফ্ল্যাটটি ভাড়া দিয়েছেন। ওই ভাড়ার টাকা ও টিউশনি করে অবসরের পর জীবন চালাতেন তিনি। বছর তিনেক আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর পর থেকে আর টিউশনি করতে পারেন না।

আব্দুল লতিফ বলেন, ‘৩৮ বছর শিক্ষকতা করেছি। ইংরেজি পড়াতাম। শত শত মেয়েকে মানুষ করেছি। অনেকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমার সেই মেয়েরা মাঝেমধ্যে আমাকে দেখে যায়।

তারা আমাকে এ অবস্থায় দেখে রাগ করে। কিন্তু কী করব, বাড়িতে বসে থাকতে ভালো লাগে না। আবার জীবিকার জন্য কিছু টাকাও তো প্রয়োজন। বাড়িতে বসে না থেকে বিকেলে কিছু লেবু কিনে এনে বসি। এতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আয় হয়। এতে আমার সংসার চলে যায়।’

আবদুল লতিফের স্ত্রী ৩ বছর আগে মারা গেছেন।  বাড়িতে এখন পাঁচজন থাকেন। একমাত্র ছেলে ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি আর জেঠাস থাকেন বাড়িতে। আব্দুল লতিফ বললেন, বাড়িতে থাকলে কারও সঙ্গে কথাবার্তা বলা যায় না। একাকী লাগে। এখানে বসলে কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলা যায়। সঙ্গ পাওয়া যায়। এটাও–বা খারাপ কী! তা ছাড়া ইউরোপ-আমেরিকায় কোনো কাজকে ছোট মনে করা হয় না। তিনিও কাজটাকে ছোট মনে করেন না।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]