রবিবার ● ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ● ২ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   ককরোচ জনতা পার্টির পর এবার মোদির বিরুদ্ধে নামছে ‘মাছি জনতা পার্টি’   গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায় স্থগিত   শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র উত্তরা, ১৫০০ জনকে আসামি করে ২ মামলা   শরণখোলায় গৃহবধূর মৃত্যু, কথিত স্বামী পলাতক   প্রবাসে থেকেও প্রতিটি সংকটে মানুষের পাশে ছিলেন তারেক রহমান: রিজভী   নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে ৩০০ চালকের দৃষ্টি পরীক্ষা, বিনামূল্যে চশমা বিতরণ   
কোল্ড ড্রিংকস কি হতে পারে কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ?
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৬:২৬ পিএম   (ভিজিট : ১০৩৬৯)

ভারি খাবারের পর অনেকেই স্বস্তির জন্য কোলা জাতীয় কার্বনেটেড পানীয় পান করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর? চলুন, জেনে নিই।

অতিরিক্ত চিনি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিশেষ করে যেগুলোতে চিনি বেশি, তা ওজন বৃদ্ধি, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও দাঁতের ক্ষয়ের মতো নানা সমস্যার কারণ হতে পারে। চিনি ও অ্যাসিড মিলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে দেয়, ফলে গর্ত ও দাঁতের ক্ষয় দেখা দেয়।

হাড় দুর্বল? ফসফরিক অ্যাসিডের কারণে
অনেক কোলাতে থাকা ফসফরিক অ্যাসিড শরীরের ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা সৃষ্টি করে, যা হাড় দুর্বল করার ঝুঁকি বাড়ায়।

কিডনিতে পাথর?
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন এক বা একাধিক গ্লাস চিনি-মিশ্রিত কোলা পান করেন, তাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ২৩% বেশি। অন্যদিকে, নন-কোলা মিষ্টিযুক্ত পানীয়ের ঝুঁকি ৩৩% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ব্রাজিলের একজন ইউরোলজিস্ট, ডা. থ্যালেস আন্দ্রেড, এক রোগীর কেস শেয়ার করেন।

যিনি প্রতিদিন ২-৩ লিটার কোলা পান করতেন এবং তার মূত্রাশয় থেকে ৩৫টি কিডনির পাথর অপসারণ করতে হয়েছিল।
কারণ ফসফরিক অ্যাসিড প্রস্রাবকে অ্যাসিডিক করে তোলে, যা পাথর গঠনে সহায়তা করে। ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ ক্যালসিয়াম, অক্সালেট এবং ইউরিক অ্যাসিডের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। এগুলো কিডনির পাথরের মূল উপাদান।

স্পার্কলিং ওয়াটারে (যেমন মিনারেল ওয়াটার) এই ধরনের ঝুঁকি নেই, তবে অতিরিক্ত সোডিয়াম এড়িয়ে চলা ভালো।
কিডনি-বান্ধব পানীয়ের বিকল্প

১। পানি
সবচেয়ে ভালো বিকল্প। প্রতিদিন ২–৩ লিটার পানি পান করুন যাতে প্রস্রাব ফ্যাকাশে রঙের থাকে। এটি স্ফটিক জমা হতে দেয় না।

২। লেবুর রস
লেবু বা কমলার রসে থাকা সাইট্রেট ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন ১/২ কাপ লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে পান করুন।

৩। কফি ও চা
ক্যাফেইনযুক্ত বা ক্যাফেইনমুক্ত কফি, গ্রিন টি—সবই কিডনি পাথরের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। গ্রিন টিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাথর গঠন রোধে সহায়ক।

অন্যান্য বিকল্প: ডাবের পানি, ডালিমের রস, ভেষজ চা। এসব পানীয় প্রাকৃতিকভাবে মূত্রবর্ধক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]