শনিবার ২ মার্চ ২০২৪ ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০

শিরোনাম: বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে সংবাদকর্মীর মৃত্যু    স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ দাবানলে জ্বলছে টেক্সাস    ছাত্রদলেরে নয়া কমিটি ঘোষণা    বেইলী রোডে অগ্নিকান্ডে নিহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে     নতুন মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন যারা    বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী    বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ জন   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু
ফিরোজ আহমেদ
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৭:১৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলা, বাঙালি, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধু আমাদের অনুভূতি ও অন্তরাত্মায় মিশে আছেন। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলার স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শেখ লুৎফর রহমান ও সায়েরা খাতুনের কোল আলোকিত করেছিলেন বাংলার আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের মহানায়ক, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বিশ্বনন্দিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
জাতির পিতার প্রতি আমাদের ঋণ, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা অশেষ। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলার মুক্ত আকাশ। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালির অবিরাম মুক্তির সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি জাতির অস্তিত্ব। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালির ঠিকানা। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি জাতির আশ্রয়-ভরসা। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালির আদর্শ। বঙ্গবন্ধু মানেই ঝড়-ঝঞ্ঝার মাঝে মাথা উঁচু করে বাঙালির সঠিক পথে চলা। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালির মৃত্যুঞ্জয়ী চেতনা। বঙ্গবন্ধু মানেই সাম্য-অধিকার-গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। বঙ্গবন্ধু মানেই দেশের জনগণের প্রতি মানুষের প্রতি ভালোবাসা। বঙ্গবন্ধু মানেই নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালির দিশা- আলোর দিশারী। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ , বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু 
১৭ মার্চ যেন বাংলার স্বাধীন রক্তিম সূর্যের অভ্যুদয়। ১৭ মার্চ যেন বাংলার স্বাধীন রক্তিম সূর্যের উদয়। বঙ্গবন্ধুই বাঙালির স্বাধীনতার মহানায়ক। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার জন্ম না হলে বিশ্বের মানচিত্রে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধু স্কুলজীবনেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে তিনি কারাবরণ করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতির দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট চলাকালীন বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং সর্বশেষ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তৈরি ও নেতৃত্বদানের মাধ্যমে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যকে ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হন। এটাই সত্য যে, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। সে কারণেই বঙ্গবন্ধুর জন্ম ও জন্মদিনকে আমি বাংলার আকাশে স্বাধীন রক্তিম সূর্যের উদয় বলে মনে করি।

বঙ্গবন্ধু শুধু একটি স্বাধীন দেশ দিয়ে যাননি, স্বাধীন বাংলায় গরিব-দুঃখীসহ তার সাড়ে সাত কোটি সন্তান যাতে বিশ্বে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেন সে ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু এ মহতী কর্মগুলো অর্থাৎ যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের মহতী কর্মগুলো সম্পাদন করেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র জীবনটাই ছিল যেন মানুষকে ভালোবাসার। দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে এটা ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবনের অন্যতম দর্শন।

তিনি শুধু জনগণকে ভালোই বাসতেন না, বাংলার জনগণকে নিয়ে তিনি গর্ববোধও করতেন। সে কারণেই ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ভাষণে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে কবিগুরুর উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, কবিগুরুর আক্ষেপকে আমরা মোচন করেছি। বাঙালি জাতি প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা মানুষ, তারা প্রাণ দিতে জানে। এমন কাজ তারা এবার করেছে, যার নজির ইতিহাসে নাই। ‘হে কবিগুরু আপনি এসে দেখে যান, আমার ৭ কোটি বাঙালি আজ মানুষ হয়েছে। ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণের দিন বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বলেছিলেন, আমি সব ত্যাগ করতে পারি, তোমাদের ভালোবাসা ত্যাগ করতে পারব না।

বঙ্গবন্ধু আমাদের অসীম সাহসিকতার প্রতীক। তিনি সমগ্র বাঙালি জাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বীর। ক্ষুদিরাম, সূর্যসেন, তিতুমীর, সুভাষ বোস, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জগদীশ চন্দ্র বসু, শেরেবাংলা, সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানীর মতো সাহসী নেতৃত্বের নির্যাস তিনি নিজের মধ্যে ধারণ করতেন। তিনি হয়ে উঠেছিলেন গরিব-দুঃখীসহ সমগ্র বাঙালির সত্যিকারের মহান বীরপুরুষ। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র জীবনটাই ছিল সংগ্রামে পরিপূর্ণ। অধিকার আদায়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বহুবার তিনি জেল খেটেছেন। তার জীবনের ১৪টি বছর জেলের মধ্যেই কেটে গেছে।



জাতির পিতা তার রাজনৈতিক জীবনে প্রায় ৫ হাজার দিন কারাভোগ করেছেন। কিন্তু মানুষের অধিকার ও দেশের স্বাধিকার আন্দোলনে এবং দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে কখনই পিছু হটা তো দূরের কথা বিন্দুমাত্র ভয়ও পাননি। এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় নির্জন সেলের সামনে কবর খুঁড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভয় পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু অসীম সাহসী বাঙালির নেতা শেখ মুজিব ভয় পাননি; বরং পাকিস্তান কর্তৃপক্ষকে বলেছেন, ‘আমি বাঙালি, আমি মুসলমান, আমি মানুষ।
মানুষ একবার মরে, বারবার মরে না। আমি কখনই আত্মসমর্পণ করব না। যদি তোমরা আমাকে মেরে ফেল, মৃত্যুর পর, আমার লাশটা আমার দেশে আমার মানুষদের কাছে পৌঁছাইয়া দিও।’ বঙ্গবন্ধুর এমন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য তার আপসহীন মনোভাব, অসীম দেশপ্রেমের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের অকুতোভয় মৃত্যুঞ্জয়ী মহান বীরের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বাঙালি জাতির জন্য রেখে গেছেন।

বঙ্গবন্ধু আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বাংলার খোকা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ ডিঙিয়ে কলকাতা ও ঢাকা ছাপিয়ে সমগ্র বিশ্বের বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের হৃদয়ে আসন করে নিয়েছেন। বিশ্বখ্যাত কিউবার সংগ্রামী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে দেখে বলেছিলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, হিমালয়সম মুজিবুর রহমানকে দেখলাম। 
আমার হৃদয়-মন জুড়িয়ে গেল।’ জাতিসংঘের ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজের অংশ হিসেবে অর্থাৎ বিশ্ব ঐতিহ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে মন্ত্রমুগ্ধের মতো উদ্বুদ্ধ করেছিল। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ভাষণ আর দ্বিতীয়টি নেই। বঙ্গবন্ধুর মতো এমন নেতা ও নেতৃত্ব বিশ্বের ইতিহাসে সত্যিই বিরল। 

বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে ছিল ঐন্দ্রজালিক মহাশক্তি। তিনি সফল স্বপ্নদ্রষ্টা, রাজনীতির মহান কবি; তার ভাষণে ছিল অমৃতময় কাব্যিক ব্যঞ্জনা, বাংলা ভাষণে একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী বাগ্মী। তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বাঙালি জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাম্যবাদী, শোষণবিরোধী এবং সুষম অর্থনীতিতে বিশ্বাসী। সাদাসিধে জীবনযাপন ছিল বঙ্গবন্ধুর অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের চেতনার মূর্ত প্রতীক। নীতির ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন আপসহীন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন কোমল হৃদয় ও অসীম সহ্য ক্ষমতার অধিকারী। ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর তুলনা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। বিশ্ব নেতা, বিরল নেতৃত্বের অধিকারী জাতির পিতাকে কুচক্রীমহল যে হীন উদ্দেশ্যে হত্যা করেছিল, তাদের সেই উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি এবং ঘাতকরা সফল হয়নি; বরং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের রক্তের ঋণ শোধ করতে বর্তমান সময়ে বাংলার কোটি কোটি জনতা নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রস্তুত রয়েছে। যদিও বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের রক্তের ঋণ, যা বাঙালি জাতি কোনোদিনই শোধ করতে পারবে না। 

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়া বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আলোকবর্তিকা হল জননেত্রী শেখ হাসিনা।  বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমেই যেমন মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যথার্থ বাস্তবায়ন হতে পারে । এ আদর্শকে ধারণ করেই দেশরত্ন শেখ হাসিনা বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। অল্প সম্পদ স্বল্প পুঁজি, অদক্ষ জনগণ নিয়েও লড়াই করে বাঁচতে শিখিয়েছেন। শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে আলোকিত করেছেন ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলকে, তৈরি করেছেন স্বপ্নের পদ্মা সেতু, চালু করেছেন মেট্রোরেল, আকাশের বুকে উড়িয়েছেন শান্তির কপোতরূপী বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, আর দৃশ্যমান করেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ। এগিয়ে চলেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে।
সেই স্বপ্নের মূলমন্ত্র হয়েও পথ দেখাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, সেই পথে সহায়ক হয়ে কাজ করবে মুজিব আদর্শে উজ্জীবিত তরুণরা, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন ও অনুপ্রেরণা জোগাবেন নারীরা। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আর সমুদ্র অর্থনীতির উপযুক্ত ব্যবহার করে ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং আঞ্চলিক শক্তি থেকে বিশ্বশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বঙ্গবন্ধুর দেখিয়ে যাওয়া পথই হোক আমাদের পথ, তার আদর্শই হোক আমাদের আদর্শ, তার শোকই হোক আমাদের শক্তি, তার ভালোবাসাই হোক আমাদের অনুপ্রেরণা।  জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Vorer-pata-23-12-23.gif
http://www.dailyvorerpata.com/ad/bb.jpg
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Screenshot_1.jpg
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]