বুধবার ২৪ জুলাই ২০২৪ ৯ শ্রাবণ ১৪৩১

শিরোনাম: কর্মোপযোগী শিক্ষার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব    নববর্ষের আনন্দ যেন বিষাদের কারণ না হয়: রাষ্ট্রপতি    নির্বাচনে ২১ সদস্যের মনিটরিং সেল গঠন ইসির    দেশজুড়ে যে তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা!    মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি ৯ জানুয়ারি    প্রাথমিকের ছুটি বাড়ল ১৬ দিন (তালিকা)    নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রচারণা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
মুক্তাগাছায় আ. লীগের মিছিল সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা, ১৪৪ধারা জারি
ময়মনসিংহ ব্যুরো
প্রকাশ: সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৯:২২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ফলে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পৌর এলাকায়  আওয়ামী লীগের কোন পক্ষই মিছিল ও সমাবেশে করতে পারেনি। 
স্থানীয় আ’লীগের দুই গ্রুপের কোন্দলে যুবলীগ কর্মী আসাদুজ্জামানকে  হত্যাকান্ডের  বিচারের দাবিতে সোমবার এলাকায় ঝাড়ু মিছিল হওয়ার কথা ছিল। 

রাজনৈতিক দুটি গ্রুপ থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে থানার ওসি লিখিত আবেদন করেন। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এদিন সমাবেশের জন্য লোকজন জড়ো হলেও কেউ সমাবেশ করতে পারেনি।



এর আগে রোববার রাতে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন। তাতে বলা হয়- ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের অন্তর্গত মুক্তাগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব সভা, সমাবেশ, মিছিল স্থগিত রাখার অনুরোধ করা গেল।

কিন্তু যুবলীগ কর্মী আসাদ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবিতে সোমবার পূর্ব ঘোষিত ঝাড়ু মিছিলের প্রস্তুতি নেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। কিন্তু প্রশাসন তাদের মিছিল করতে দেয়নি।

মুক্তাগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। তারপরেও লোকজন জড়ো হয়। পরে কর্মসূচি পালনে পুলিশ নিষেধ করে। এরপর তারা নিরাপদে চলে যেতে চাইলে সেই ব্যবস্থা করা হয়। এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ মেতায়েন রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, মুক্তাগাছা উপজেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি দুটি ধারায় বিভক্ত। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হাই আকন্দ। তার সঙ্গে দলের তৃণমূল পর্যায়ের বড় একটি অংশ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীকে এম খালিদ। তার সঙ্গে রয়েছেন পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সরকার এবং বিল্লালের জামাতা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহাবুব আলম মনি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Vorer-pata-23-12-23.gif
http://www.dailyvorerpata.com/ad/bb.jpg
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Screenshot_1.jpg
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]