রোববার ৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিরোনাম: উত্তেজনা ছড়িয়ে আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত    যুবদল সভাপতি টুকু গ্রেপ্তার    রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের ‘ব্লক রেইড’    বনানীতে জঙ্গি সদস্য অবস্থান সন্দেহে হোটেল ও মেস ঘিরে রেখেছে পুলিশ    ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ    বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রচারণা চালাবে সিএনএন    চিকিৎসা বিজ্ঞানের মৌলিক গবেষণায় ডব্লিউএইচএফ’র সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে আ.লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সম্মেলন
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:১০ এএম | অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগের মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এক্ষেত্রে দুটি সহযোগী সংগঠন ও একটি ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সম্মেলনের তারিখও ঠিক করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া শিডিউল অনুযায়ী অক্টোবর মাসে প্রতি সপ্তাহে একটি করে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে তিনি দলের নেতাদের কাছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আওয়ামী  লীগ সভাপতির শিডিউল অনুযায়ী সাপ্তাহিক ছুটির দিন প্রতি শনিবার একটি করে সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে দু-একটির সম্মেলন নভেম্বর প্রথম দিকেও গড়াতে পারে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, অক্টোবর মাসের শেষ শনিবার ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ভাবা হয়েছে। তার আগের সপ্তাহ দুটিতে যথাক্রমে যুব মহিলা লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হতে পারে।

জানা গেছে, অক্টোবর মাসে সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগ এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠানের বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। অবশ্য অপর সহযোগী সংগঠন তাঁতি লীগের সম্মেলনও এ সময়ে হতে পারে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত ১০ মে সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথ সভা করে ছাত্রলীগ, যুব মহিলা লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন আয়োজন করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ওই সংগঠন তিনটির নেতাদের আওয়ামী লীগ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে কথা বলে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিডিউল নেওয়ার কথা বলা হয়। তবে ওই সময় করোনার সংক্রমণ কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি।

এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৭ মে দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সহযোগী সংগঠনগুলোকে সম্মেলন করার নির্দেশনা দেন।

সম্মেলনের বিষয়ে এখনও কোন তথ্য নেই মহিলা আওয়ামী লীগের কাছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ বেগম কৃক বলেন, আমরা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত। জেলা-উপজেলা সম্মেলনগুলো শেষ করে আনছি। কেন্দ্রীয় নির্দেশ পেলেই সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করবো। তবে এখনও কোনও নির্দেশ আমরা পাইনি।

 যুব মহিলা লীগ কেন্দ্রীয় সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, আমরা সম্মেলনের তারিখ চেয়ে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেছি। আমরা সাক্ষাৎ করেও তারিখ চেয়েছি। তিনি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকতে পারবেন এমন একটি সময় আমরা চেয়েছি। তিনি আমাদের দেখেশুনে একটি সময় দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে নাজমা আক্তার জানান, প্রধানমন্ত্রী তো রাষ্ট্রীয় সফরে এ মাসের বাকি সময়টা বিদেশ অবস্থান করছেন। আমরা মনে করছি অক্টোবর মাসের শেষ দিকে বা নভেম্বরের প্রথম দিকে সম্মেলন হতে পারে।

তাঁতি লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শওকত আলী বলেন, আমরা সবসময়ই সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত। তবে সম্মেলনের কোনও তথ্য আমাদের কাছে নেই। এ বিষয়ে কিছু জানানোও হয়নি। অক্টোবরে সম্মেলন হলে অন্তত দেড় থেকে দুই মাস আগে জানানো হতো।



আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত কোনও সংগঠনের সম্মেলনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি সুবিধামতো সময় দেবেন, সেই অনুযায়ী সম্মেলন হবে।

একই সময়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়া মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ ও তাঁতি লীগের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় আড়াই বছর হতে চললো।

মহিলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১৭ সালের ৪ মার্চ। এতে সাফিয়া খাতুন সভাপতি ও মাহমুদা বেগম সাধারণ সম্পাদক হন। তিন বছর মেয়াদি এই সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালের ৪ মার্চ।  একই বছর ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় যুব মহিলা লীগের  সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাজমা আক্তার সভাপতি ও অপু উকিল সাধারণ সম্পাদক পুনর্নির্বাচিত হন। তাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ সালের ১১ মার্চ। তেমনি ২০১৭ সালের ১৯ মার্চ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়া তাঁতি লীগের মেয়াদ হয়েছে ২০২০ সালের ১৯ মার্চ।

ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের মে মাসে। ওই বছরের জুলাইয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও গোলাম রাব্বানী। উন্নয়ন প্রকল্প থেকে চাঁদা দাবিসহ নানা অভিযোগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে পদ হারান দুজন। তাদের স্থলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্যকে। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আল নাহিয়ান খান ও লেখক ভট্টাচার্যকে ভারমুক্ত করা হয়। জয়-লেখক প্রায় তিন বছর ধরে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]