রোববার ২৬ জুন ২০২২ ১২ আষাঢ় ১৪২৯

শিরোনাম: পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে ভাইরাল যুবক আটক    সয়াবিন তেলের দাম কমলো    করোনায় আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর    করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু    নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে থাকছে পাকিস্তান-বাংলাদেশ    পদ্মা সেতুতে নেমে ছবি তুললেই জরিমানা    তেলের দাম নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্য সচিব   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
শেখ হাসিনা ফিরেছিলেন বলেই বাঙালি আরেকটি স্বাধীনতা পেয়েছিল
#শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট: ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। #মানুষের ভালোবাসার টানে দেশে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা: বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মাবুদ। #শেখ হাসিনা ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ ঠিক আছে: অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ মে, ২০২২, ১১:০২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

১৯৮১ সালের ১৭ মে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন। এটি ছিল তাঁর প্রথম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। তখন থেকেই মূলত বাংলাদেশের পুনর্জন্ম হয়। ১৯৮১ সালের দিকে বাংলাদেশের রাজনীতি এতোটাই বিভ্রান্ত এবং পথহারা ছিল, আর আওয়ামী লীগ তো অনেকটাই নেতৃত্বশূন্যই ছিল। তখন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী করা হয়।



দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৭০৬তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদের (জানিপপ) চেয়ারম্যান ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, সেক্টর কমান্ডার ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মাবুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার বিশেষ প্রতিনিধি উৎপল দাস।

ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা আমাদের সবার প্রিয় দেশরত্ন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতি ইতিহাসের একটি টারনিং পয়েন্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার মধ্য দিয়ে খন্দকার মোস্তাকদের যে পসচাদমুখী রাজনৈতিক ধারা ও পাকিস্তানমুখী ধারা পুনরায় বাংলাদেশে চালু হয়েছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন তার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যেদিন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, শেখ হাসিনা তখন তার ছোটবোন শেখ রেহানা এবং দুই সন্তানসহ স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তারা খুনিদের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান। আলোর মশাল হাতে কাণ্ডারি হয়ে স্বদেশের মাটিতে এসেছিলেন জাতির পিতার জ্যেষ্ঠকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সেদিনই পুনর্জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশের। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী আছেন বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। চার দশক আগে যদি শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নৌকার বৈঠা না ধরতেন, বাংলাদেশের নেতৃত্বে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত না করতেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী না হতেন, তাহলে বাংলাদেশের আজকের এই অগ্রগতি সম্ভব হতো না। দেশের গণতন্ত্র আর প্রগতিশীলতার রাজনীতি ফেরাতে রাতে দুই শিশুসন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াদেজ পুতুলকে ছোটবোন শেখ রেহানার কাছে রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার; বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জাতীয় তার নেতা হত্যার বিচার ও স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হৃত গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মাবুদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করে এবং পরবর্তীতে সেই ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দোসররাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে হত্যার মধ্য দিয়ে পুনরায় ক্ষমতাসীন হয় দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের বিরোধীপক্ষ ৭১-এর পরাজিত শক্তি। আসলে ওই দিন যারা রাষ্ট্রক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে তারা মূলত আবার পূর্ব পাকিস্তানকেই কায়েম করে। মোশতাক, জিয়ার নেতৃত্বে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থায় ক্ষমতাসীন হয় আজীবন বাঙালিত্বের বিরোধিতাকারী অপশক্তি। ইতিহাসের চাকা ঘুরতে থাকে পেছনের দিকে। ১৯৭৬ সালের ৩ মে এক ফরমান জারি করে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু কর্তৃক নিষিদ্ধ সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলগুলোকে পুনর্বাসিত করেন। রাজনীতিতে নিয়ে আসা হয় মুক্তিযুদ্ধের প্রধান বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামীকে। বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে দুটি প্রত্যাবর্তন দিবস বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রথমটি ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, দ্বিতীয়টি ১৯৮১ সালের ১৭ মে। প্রথমটি পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র নির্মাণের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ঘটেছিল, দ্বিতীয়টি ঘটেছিল তারই কন্যা শেখ হাসিনার জীবনে যিনি দল ও রাজনীতিতে পিতার শূন্যতা পূরণ করতে বিদেশ থেকে স্বদেশে ফিরে আসেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফিরে আসার সাড়ে তিন বছরের মাথায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের বুলেটে সপরিবারে নিহত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যেদিন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, শেখ হাসিনা তখন তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং দুই সন্তানসহ স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তাঁরা খুনিদের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। দেশের গণতন্ত্র আর প্রগতিশীলতার রাজনীতি ফেরাতে রাতে দুই শিশু সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ছোট বোন শেখ রেহানার কাছে রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধার এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। বর্তমানে শেখ হাসিনা তার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য যেভাবে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এটা তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু খুনিদের বিচার, স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার, ইনডেমনিটি অদ্দাদেশ বাতিল; এইগুলো করে উনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে এবং বাঙলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সরবচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন। এটি ছিল তার প্রথম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। তখন থেকেই মূলত বাংলাদেশের পুনর্জন্ম হয়। ১৯৮১ সালের দিকে বাংলাদেশের রাজনীতি এতোটাই বিভ্রান্ত এবং পথহারা ছিল, আর আওয়ামী লীগ তো অনেকটাই নেতৃত্বশূন্যই ছিল। তখন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী করা হয়। এটা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগের যারা নিবেদিত কর্মী বাহিনী ছিল তাদেরই অকুণ্ঠ সমর্থনে সেই কাজটি সম্পাদিত হয়েছিল। যেকোনো দুর্যোগে যখন এই দলটি পরে তখন কিন্তু এই নিবেদিত কর্মীরাই সঠিক সিদ্ধান্ত বেছে নেন। তখন আমরা দেখেছিলাম আমাদের জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ও মোশতাকের সাথে আঁতাত করে আওয়ামী লীগের ততাকথিত নেতারা তাদের সাথে সংযুক্ত হচ্ছিল তখনই কিন্তু আওয়ামী লীগের সেই নেতাকর্মীরা দুর্দিনে দলের হাল ধরেছিল এবং জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতির দায়িত্ব অর্পণ করেছিল। তারপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আওয়ামী লীগকে। সমস্যা সমাধানে শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠত্ব ও তাঁর দর্শনের গ্রহণযোগ্যতা দেশের মানুষের কাছে সকল সময়ের সীমা অতিক্রম করেছে। ১৯৯৬ সালে প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ও গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি করে শেখ হাসিনা নিজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার সুবিশাল প্রকাশ ঘটান। আবার সেই সময়ে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। এ দেশের মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে একুশের সঙ্গে, তার সময়েই একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গৌরব অর্জন করে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৭ মে বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি ছিল মানবাধিকার সুরক্ষার আরও একটি যুগান্তকারী ঘটনা। অধিকন্তু পিতার মতো বরাবরই তিনিও ছিলেন ঘাতকের ষড়যন্ত্রের টার্গেট। তাকে হত্যা করার যড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তখন থেকেই। এজন্যই একবার নয়, দুইবার নয়, শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কখনো নিজ বাসভবনে, কখনো জনসভায় আবার কখনো তার গাড়ির বহরে। ক্ষমতায় যাতে শেখ হাসিনা কোনোভাবে যেতে না পারেন এবং ষড়যন্ত্রের গোপন জাল বিছিয়ে রেখেছিল রাষ্ট্রক্ষমতার ভেতরে মুখ লুকিয়ে যারা বেঁচেছিল। গোটা আশির দশক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। কিন্তু আন্দোলনের কোনো ফসলই তাকে ঘরে তুলতে দেয়নি নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারী মহল। আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনার কারণেই সামাজিক বলেন, অর্থনৈতিক বলেন, সব জায়গায় তাঁর হাতের ছোঁয়া রয়েছে এবং এই উন্নয়ন আজকে দৃশ্যমান বলেই আজকে আমরা স্বনির্ভর জাতীতে রূপান্তরিত হয়েছি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]