রোববার ২৬ জুন ২০২২ ১২ আষাঢ় ১৪২৯

শিরোনাম: পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে ভাইরাল যুবক আটক    সয়াবিন তেলের দাম কমলো    করোনায় আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর    করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু    নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে থাকছে পাকিস্তান-বাংলাদেশ    পদ্মা সেতুতে নেমে ছবি তুললেই জরিমানা    তেলের দাম নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্য সচিব   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
ছাত্রলীগের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভালো কিছু করতে চাই: মাজহারুল ইসলাম শামীম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১৫ মে, ২০২২, ১০:১০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলনের দিকে ওয়ার্ড ইউনিয়ন থেকে শুরু করে পাড়া মহল্লা পর্যন্ত সবাই তাকিয়ে থাকে। আজকের সংলাপের আলোচ্য বিষয়ের সাথে আমি কণ্ঠ মিলাতে চাই যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন নিয়ে আর কোন ধোঁয়াশা চাই না। যে ধৃষ্টতা দেখিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কথাকে তারা অস্বীকার করলেন। এটাকে আমি সবচেয়ে বড় ধৃষ্টতা বলছি এই জন্য যে, ক্ষমতার চেয়ারকে আঁকড়ে ধরার জন্য এই ধরনের পন্থা অবলম্বন করা মোটেও কাম্য নয়।  

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৭০৫তম পর্বে রোববার এসব কথা বলেন আলোচকরা। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সভাপতি সোহান খান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সভাপতি মাজহারুল ইসলাম শামীম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার বিশেষ প্রতিনিধি উৎপল দাস।

মাজহারুল ইসলাম শামীম বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তৃণমূল, জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রায় ৫০-৬০ লাখ নেতাকর্মীরা আছেন তারা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত ফোন করেন এবং সংগঠনের বিষয়ে তারা খোঁজ খবর রাখেন। তারা তাদের হতাশা ব্যক্ত করেন, তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের কষ্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেন। কিন্তু একটা শক্তিশালী কার্যকরী নির্বাহী সংসদ না থাকায় আমরা তৃণমূলের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার আগে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ছাত্রলীগের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস। এই সংগঠনের অনেক ইতিহাস, সংগ্রাম, সাফল্য ও ঐতিহ্য আছে এবং এই ছাত্রলীগ নিয়ে বাঙলার প্রতিটি ঘরের ছাত্ররা গর্ববোধ করে। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সেখানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হওয়ায় তো গর্বের বিষয়। সেখানে নেতৃত্বে আসীন হওয়ার পর স্বেচ্ছাচারিতা এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন না করা এবং অন্যদেরকেও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করার সুযোগ না দেওয়া, এটা কিন্তু নেহাতই হীনমন্যতা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলন হয়েছিল এবং এটা এখন চারবছর পার করে পাঁচ বছরে পদার্পণ করেছে। যদিও ২ বছর পর পর সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল কিন্তু করোনার কারণে এবং অন্যান্য কিছু কারণে নির্ধারিত সময়ে ৩০তম সম্মেলন এখন করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এখন আশার কথা এই যে, দীর্ঘ সময় যাওয়ার পর আমাদের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের অভিভাবক, দেশরত্ন শেখ হাসিনা সম্মেলনের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, আমাদেরকে প্রস্তুতি নিতে বলেছেন এবং আমরা কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আশ্বস্ত করেছি যে, সম্মেলনের যেকোনো প্রকার কাজে আমরা শতভাগ সহযোগিতা করবো। একটা জাকজমক সম্মেলন আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে উপহার দেব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ছাত্রলীগকে আমরা ভালো কিছু উপহার দিয়ে যেতে চাই, যেন তারা সাংগঠনিক কাজের মাধ্যমে দেশের ছাত্র সমাজের বৃহত্তর কল্যাণের জন্য কাজ করে যেতে পারে। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]