বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

শিরোনাম: কর্মোপযোগী শিক্ষার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব    নববর্ষের আনন্দ যেন বিষাদের কারণ না হয়: রাষ্ট্রপতি    নির্বাচনে ২১ সদস্যের মনিটরিং সেল গঠন ইসির    দেশজুড়ে যে তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা!    মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি ৯ জানুয়ারি    প্রাথমিকের ছুটি বাড়ল ১৬ দিন (তালিকা)    নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রচারণা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
স্বপ্নের পদ্মা সেতু, ষড়যন্ত্রময় উপাখ্যান আর অসমসাহসিক অভিযাত্রা
ড. কাজী এরতেজা হাসান
প্রকাশ: রোববার, ২৫ জুন, ২০২৩, ১২:৩৭ পিএম আপডেট: ২৫.০৬.২০২৩ ১২:৪১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

মাত্র এক বছর আগের কথা। দিনটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের অনন্য এক মহিমান্বিত দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীনতা। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছেন নিরলসভাবে। একটু মনে করে দেখুন, এক বছর আগে পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আজ গর্বিত। অনেক বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে, ষড়যন্ত্রের জাল ছিঁড়ে আজ পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়েছে। এই সেতু শুধু সেতু নয়, শুধু ইট-সিমেন্ট-কংক্রিটের কাঠামো নয়, এই সেতু আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব। সক্ষমতার, মর্যাদার প্রতীক।’

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মাওয়া প্রান্তে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সেতু বাংলাদেশের জনগণের। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগ, সাহসিকতা, সহনশীলতা। বাঙালি জাতির জেদ, প্রত্যয়। শেষ পর্যন্ত অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে যাত্রা করেছি। আমরা বিজয়ী হয়েছি।’

২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের ২২ দিনের মাথায় সেতুর নকশা তৈরির জন্য পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে টাকা দিতে রাজি হয়। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীদের প্ররোচণায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন থেকে সরে যায়। তাদের চ্যালেঞ্জ করলাম, দুর্নীতির প্রমাণ দেখাতে হবে। আমরা থেমে যাইনি। স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের কথা শুনেও মনে হয়েছে, সত্যি বুঝি দুর্নীতি হয়েছে। অনেক পানি ঘোলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয়েছে।

ষড়যন্ত্রের কারণে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ দুই বছর বিলম্ব হয়।  এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘হতোদ্যম হইনি। মাথা নোয়াইনি। নিজেদের অর্থায়নে সেতু করার ঘোষণা দিই। উপদেষ্টা কমিটি হয়েছিল জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে। তাঁরাও বিশ্বাস রেখেছিলেন, আমরা পারব। নিজস্ব অর্থায়নে সেতু করা নিয়ে অনেকের সন্দেহ ছিল। তাঁরা মনে করেছিলেন, সারা জীবন অন্যের দয়ায় চলব। বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করার সিদ্ধান্ত নিয়েই এগিয়ে চলেছি।’

পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে ছিলেন খুব অল্প কয়েকজন মানুষ ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। বাংলাদেশের সক্ষমতার পরিচায়ক স্বপ্নের পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে বিশ্বব্যাংকের ঋণ প্রত্যাহারের সময় তিনি একজন দেশপ্রেমিক সরকারি কর্মকর্তা হিসাবে নিজের আদর্শিক লড়াই চালিয়ে গেছেন খুব দৃঢ়তা নিয়ে। নিজের চোখেই দেখেছি, ইস্পাতসম শক্ত ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে সাবেক একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা তৎকালীন সেতু মন্ত্রী আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তারের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তখন আজকের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, তিনি তা করবেন না বরং বিশ্বব্যাংক যে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে, সেটি নিয়ে তিনি লড়াই করবেন দেশের সম্মান বাঁচানোর জন্য। তখনকার দুদকের চেয়ারম্যান এবং আরেকজন কমিশনার এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন। কিন্তু দুদকের তৎকালীন কমিশনার (তদন্ত ) হিসাবে দেশের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোষহীন এবং সংগ্রামী।  একদিন প্রশ্নের ছলে আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম, এতটা সাহস নিয়ে কিভাবে কাজ করেন? তখন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন আমাকে সুস্পষ্টভাবে বলেছিলেন, ‘আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। দেশের জন্য কাজ করতে হলে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে, দেশকে সোনার বাংলা করতে হলে, দেশকে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে হলে অবশ্যই বুকে সাহস থাকতে হবে। সাহস ছাড়া তুমি দেশকে ভালোবাসতে পারবে না, সাহস ছাড়া রাজনীতি করতে পারবে না।’

বিশ্বব্যাংক তাদের ভাষায় কথিত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দিতে থাকে। তারা মন্ত্রী, সচিব, পিডি ও অন্যদের সেতুর কাজ থেকে অব্যাহতিও চান। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে বিশেষ প্রতিনিধি দল পাঠান সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা সরেজমিনে দেখার জন্য। তারা দুদকের সঙ্গে সভা করেন। ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক আদালতের সাবেক প্রসিকিউটর আর্জেন্টিনার আইনজীবী লুইস গেব্রিয়েল মরেনো ওকামপোকে বাংলাদেশে পাঠায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে তা দেখার জন্য। এভাবে বিশ্বব্যাংক অনৈতিক কাজ ও বাড়াবাড়ি করেই যাচ্ছিল। শেখ হাসিনার সরকার অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছিল।

বিশ্বব্যাংকের অব্যাহত চাপ, মিডিয়ার প্রপাগান্ডা এবং সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের কিছু লোকের বক্তৃতা-বিবৃতি এবং কোনো কোনো গবেষণা সংস্থার কর্মকর্তাদের কথায় এমন আবহ তৈরি করা হয়েছিল যে পদ্মা সেতু প্রকল্পে সত্যি সত্যি দুর্নীতি হয়েছে। জনমতও দুর্নীতির পক্ষে সৃষ্টি হয়েছে। সরকার কোনো পদক্ষেপ না নিলে মনে হবে সরকার দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতে চাচ্ছে। বাধ্য হয়ে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল যদিও দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পায়নি। মন্ত্রী জনাব আবুল হোসেনকে ইস্তফা দিতে বললে তিনি ইস্তফা দেন। সচিব মোশারফ হোসেন ভুঁইয়াকে বদলি করা হয়। প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলামকে অপসারণ করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন অনুসন্ধান টিম গঠন করে। পরে সাতজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়। সেই মামলায় সচিব মোশারফ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জেল খাটেন।

বাংলাদেশ সরকার এত সব ব্যবস্থা নিলেও বিশ্বব্যাংক সন্তুষ্ট হয়নি। তারা ২০১২ সালের অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে ঋণচুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দেয়। বিশ্বব্যাংককে অনুসরণ করে জাইকা, এডিবি ও আইডিবি ঋণচুক্তি বাতিল করে। বিশ্বব্যাংক ঝঘঈ খঅঠঅখওঘ কে ১০ বছরের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাজে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কানাডার একটি আদালত SNC LAVALIN এর দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলা করা হয়। পরে ১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ আদালত অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে মামলা খারিজ করে দেয় এবং অভিযুক্তরা খালাস পায়। বাংলাদেশের দুদকের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আদালত আসামিদের খালাস দেন। বিশ্বব্যাংক তদন্ত করেও দুর্নীতির পক্ষে কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পায়নি। কানাডার আদালতে এবং বাংলাদেশের দুদকের তদন্ত দলের কাছে বিশ্বব্যাংক কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। অথচ তারা বলেছিল তাদের কাছে যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ আছে।

বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি স্থগিত করলে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন পদ্মা সেতু অবশ্যই হবে। তবে তা নিজস্ব অর্থায়নেই। অন্যের কাছ থেকে হাত পেতে টাকা এনে পদ্মা সেতু করব না। আমাদের জনগণের টাকায়ই পদ্মা সেতু নির্মিত হবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে Pre- qualification টেন্ডার আহ্বান করে। পরিকল্পনা ছিল ২০১১ সালের প্রথম দিকে সেতুর কাজ শুরু হবে এবং ২০১৩ সালের মধ্যে মূল সেতুর কাজ শেষ হবে। কিন্তু বিশ্বব্যাংকের অভিযোগে সে পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।



চায়না BOT (Build own transfer) ভিত্তিতে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সরকার সেদিকে যায়নি। আন্তর্জাতিক টেন্ডারে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড কাজ পায়। ১৭ জুন ২০১৪ তারিখে সেতু কর্তৃপক্ষ চায়না ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানিকে সেতু নির্মাণের জন্য ঠিকাদার হিসাবে নির্বাচন করে। তারা ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে কাজ শুরু করে। সেতুর প্রথম স্প্যান বসানো হয় ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টম্বর। সর্বশেষ স্প্যান অর্থাৎ ৪১তম স্প্যান বসে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর। সেতুর কাজ প্রায় শেষের দিকে। সার্বিক কাজ সমাপ্ত করে জুন ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে যান চলাচলের জন্য সেতু খুলে দিতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ জুলাই ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে মহান জাতীয় সংসদের অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মিত হবে। তখন নির্মাণ ব্যয়ের প্রাক্কলন ছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। ওই টাকা কীভাবে আসবে তার রুপরেখাও তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। তিনি বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য দাতা সংস্থার ঋণচুক্তি বাতিলের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার জন্য হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেই এবং আমরা তা সুদে আসলে ফেরত দিই। আমরা তাদের কাছে ভিক্ষা চাই না। বাংলাদেশ যাতে দরিদ্র থাকে সে লক্ষ্যে তারা নানা রকম পরামর্শ দেয়। কৃষিতে ভর্তুকি দিতে নিষেধ করে। বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দিতে নিষেধ করে। তাদের পরামর্শ মোতাবেক কাজ করলে দেশ কখনো অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না। নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে না। তিনি অত্যন্ত সাহসিকতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা দেন পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নেই নির্মিত হবে।  আজ পদ্মা সেতু উদ্বোধনের এক বছর পূর্তিতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি আজকের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মাদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার জন্য প্রাণভরে দোয়া করছি। তাদের সাহসিকতায় বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক ভোরের পাতা, দ্য পিপলস টাইম
সহ-সভাপতি, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগ
সদস্য, কেন্দ্রীয় শিল্প-বাণিজ্য উপকমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
পরিচালক, এফবিসিসিআই
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ইরান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Vorer-pata-23-12-23.gif
http://www.dailyvorerpata.com/ad/bb.jpg
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Screenshot_1.jpg
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]