শুক্রবার ● ২২ জানুয়ারি ২০২১ ● ৮ মাঘ ১৪২৭ ● ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
জোড়া জোড়া করে বেঁধে দিঘীর পানিতে ফেলে গুলি করে মারা হয়েছিল পাঁচগাঁওবাসীকেবাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় গণহত্যা চালায় পাক হানাদার বাহিনী। সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারেও ব্যাপক গণহত্যা চালায় হানাদাররা।
গুলি করার পর লাশগুলো উল্টেপাল্টে দেখা হয় কেউ জীবিত আছে কি না১৯৭১ সালে যে দুর্বিষহ গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তা ইতিহাসে নজিরবিহীন। নয় মাসব্যাপী চালানো
হুইসেল বাজিয়ে ব্রাশফায়ার করা হয় বন্দিদের১৯৭১ সালের মে মাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার কেওয়ার ইউনিয়নের সাতানিখিল খালে এক
লুকিয়ে থাকা সাধারণ মানুষকে পাকবাহিনী খুঁজে খুঁজে হত্যা করেগাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বৈরী হরিণমারী গ্রামে গণহত্যা সংঘটিত হয় একাত্তরের ১৭ এপ্রিল। সেদিন পাকিস্তানি
চিকিৎসা নিতে আসা মা ও শিশু এবং পরে ডাক্তারকে গুলি করে মারা হয়শ্রীপুর-সোনাপুর দুটো পাশাপাশি গ্রাম। নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলাতেই এই দুটো গ্রাম অবস্থিত; নোয়াখালীর পুরাতন শহরসংলগ্ন
বস্তায় ভরে মিলের জ্বলন্ত বয়লারে পুড়িয়ে মারা হতো শ্রমিকদেরমুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর টার্গেট ছিল ব্যাপক গণহত্যা চালানো। খুলনার খালিশপুর ছিল শ্রমিক এলাকা। এই
লঞ্চবোঝাই ৫০০ যাত্রীকে নামিয়ে গুলি  করে হত্যা করেছিল রাজাকাররাখুলনা সদরের খালিশপুরের নেভাল বেজ এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ভৈরব নদী। আর ভৈরব নদী
ব্রাশফায়ারে হত্যা করা হয় জগৎমল্লপাড়ার ৩৬ জনকে১৩ এপ্রিল ১৯৭১ সাল। ঘটনাস্থল জগৎমল্লপাড়া, রাউজান, চট্টগ্রাম। এদিন সকালে গোলাগুলির আওয়াজ শুনে অনেক সংখ্যালঘু
‘মালাউন হটাও’ বলে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন শুরু করে রাজাকাররাখুলনা জেলার গণহত্যার মধ্যে হড্ডা গ্রামের গণহত্যা অন্যতম। হড্ডা গ্রাম শিবসা নদীর তীরে অবস্থিত। উল্লেখ্য
জুমার নামাজের পর ২৯ জনকে একসঙ্গে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে পাকসেনারা১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে গণহত্যা চালায় বর্বর পাক হানাদার বাহিনী। যে অঞ্চলগুলোতে পাকিস্তানিরা ব্যাপক
পাকসেনারা কাউকে ধরে নিয়ে গেলে স্বজনরা নদীর পাড়ে অপেক্ষা করতো লাশের জন্যধারণা করা হয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে খুলনার ফরেস্টঘাটে প্রতিদিন গড়ে বিশজন মানুষকে হত্যা করতো পাকসেনারা। ফরেস্টঘাট
পাকসেনাদের পায়ে পড়ে পিতার প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিল চার বছরের মেয়ে৩১ অক্টোবর ১৯৭১ সাল। সকাল বেলা সরাইল, ব্রাক্ষণবাড়িয়া ও আশুগঞ্জ থেকে দুই শতাধিক পাক সৈনিক
প্রাণ বাঁচাতে বন্দিরা সজোরে কালিমা পড়ছিল আর পাকসেনারা চালিয়ে ছিল গুলি১৯৭১ সালের ২০ মে ভোর চারটা থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত প্রায় ২২৮ জন বিভিন্ন বয়সী
স্বাধীন বাংলার পতাকা রাখায় ক্রুদ্ধ পাকবাহিনী হত্যাযজ্ঞে মেতেছিল১৯ আগস্ট ১৯৭১, সকাল আনুমানিক দশটা। অত্যাধুনিক অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রায় দেড়শ পাক সৈনিক নোয়াখালীর
শিশুদের টেনে হিঁচড়ে বুটের নিচে ফেলে মাটির সঙ্গে পিষে মারে১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী মুন্সিগঞ্জে ব্যাপক গণহত্যা চালায়। ১৯৭১ সালের ৯ মে ভোরবেলায় হানাদার
প্রায় ৩ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয় বরিশাল ওয়াপদা কলোনিতে১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এই বাংলার প্রতিটি কোনায় কোনায় রক্তপাত ঘটিয়েছে। সীমান্তের নিকটবর্তী হোক
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]