প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪০ এএম (ভিজিট : ৫২)

সংগৃহীত ছবি
সিরিয়াকে কেন্দ্র করে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলার পর দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা নতুন করে সামনে এসেছে।
ইসরায়েলের দাবি, সিরিয়ায় তুরস্কের সম্ভাব্য সামরিক উপস্থিতি তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে ইসরায়েলি পক্ষ জানিয়েছে।
তবে তুরস্ক এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, ওই ঘাঁটিতে তাদের কোনো সেনা উপস্থিতি ছিল না এবং ইসরায়েলের হামলা ছিল বেপরোয়া ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ক, ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি ‘ডি-এসকেলেশন’ বা সংঘাত এড়ানোর যোগাযোগব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ভুল বোঝাবুঝি বা সামরিক পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
এরই মধ্যে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী তুরস্ককে সতর্ক করেছেন। অন্যদিকে আঙ্কারা ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা অব্যাহত রেখেছে। সিরিয়ার নতুন সরকারের সঙ্গে তুরস্কের ঘনিষ্ঠ সামরিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কও এই উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তবে এখনই তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হওয়ার কোনো নিশ্চিত ইঙ্গিত নেই। বরং দুই দেশের সামরিক তৎপরতা ও পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যোগাযোগব্যবস্থা কার্যকর হলে সরাসরি সংঘাত এড়ানো সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিরিয়ায় দুই দেশের স্বার্থের সংঘাত আগামী দিনগুলোতে কোন দিকে গড়ায়, সেটিই এখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।