রবিবার ২৩ আগস্ট ২০২৬ ৭ ভাদ্র ১৪৩৩

শিরোনাম: খানজাহান আলীর মাজারের সেই কুমির এখন কক্সবাজারের সাফারি পার্কে   নাইজেরিয়ার মারিয়াম ইবরাহিমের কোরআনের বিশ্বমঞ্চে অনন্য সাফল্য   ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনি, নিহত ১; গুরুতর আহত আরও ১   সিরিয়া ঘিরে তুরস্ক-ইসরায়েল সংঘাতের শঙ্কা, বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা   রোবটের দৌড়ে পেছনে পড়ল বোল্টের রেকর্ড   রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান   পরীমণির গাড়ি রহস্যে ‘মাসরুর’ নাম, মিলছে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য   
পরীমণির গাড়ি রহস্যে ‘মাসরুর’ নাম, মিলছে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১:২০ এএম   (ভিজিট : ৫১)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

চিত্রনায়িকা তমা মির্জার এবি ব্যাংকে যোগদানকে ঘিরে ব্যাংকিং খাত ও বিনোদন অঙ্গনের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই আলোচনার সূত্র ধরে আবারও সামনে এসেছে কয়েক বছর আগের আলোচিত পরীমণির গাড়ি উপহার বিতর্ক। একই সঙ্গে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে
ওই ঘটনায় আলোচিত ‘মাসরুর’ আসলে কে?

২০২১ সালে পরীমণিকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল মাসেরাতি গাড়ি উপহার দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় বিভিন্ন সংবাদে সিটি ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক মাসরুর আরেফিনের নাম উঠে আসে। তবে তিনি শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরীমণিকে তিনি চেনেন না এবং তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও নেই বলে তখন দাবি করেন মাসরুর আরেফিন।

এমনকি ওই সময় প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে ‘শওকত রুবেল’ নাম উল্লেখ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মাসরুর আরেফিন। তার দাবি ছিল, ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পরিচয়ই যদি ভুলভাবে প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে গাড়ি উপহারের মতো গুরুতর অভিযোগের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

পরে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাক তাদের প্রকাশিত একটি সংশোধনীতে জানায়, ৮ আগস্ট প্রকাশিত ‘পরীমনি ও পিয়াসার সঙ্গে ২১ প্রভাবশালীর সম্পর্ক’ শিরোনামের প্রতিবেদনে ভুলবশত একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে মাসরুর আরেফিনের নাম ছাপা হয়েছিল। একই প্রতিবেদনে ‘শওকত রুবেল’ নামটিও ভুলভাবে প্রকাশিত হয়েছিল বলে স্বীকার করে সংবাদমাধ্যমটি। সংশোধনীতে স্পষ্ট করা হয়, পরীমণির ঘটনার সঙ্গে মাসরুর আরেফিনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং তার নাম ভুলভাবে প্রকাশের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, পরীমণির গাড়ি বিতর্কে আলোচিত ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন; বরং খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতু। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাকে সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সাবেক স্বামী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিছু প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, পরীমণিকে গাড়ি উপহার দেওয়ার বিষয়ে তৎকালীন ডিবি কর্মকর্তা হারুনের বক্তব্যে যে ‘মাসরুর’-এর কথা উঠে এসেছিল, তা খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতুকে ইঙ্গিত করেছিল। তবে এ দাবির স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি এখনো দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই রয়েছে।

ফলে পুরোনো সেই বিতর্কে এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে ‘মাসরুর’ নামের পরিচয় বিভ্রান্তি। একদিকে রয়েছে মাসরুর আরেফিনের প্রকাশ্য অস্বীকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের ভুল স্বীকার; অন্যদিকে রয়েছে নতুন করে সামনে আসা দাবি, আলোচিত ‘মাসরুর’ ছিলেন অন্য একজন।

সব মিলিয়ে পরীমণির গাড়ি বিতর্ক এখন শুধু গাড়ি উপহারের অভিযোগে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সংবাদে ভুল পরিচয় প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অস্বীকৃতি এবং বহু বছর পর একই ঘটনার নতুন ব্যাখ্যা। তবে নতুন দাবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে আরও নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন তথ্য-প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]