রবিবার ● ৪ অক্টোবর ২০২৬ ● ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু   বিমানবন্দরে তিন অভিযানে ৬৭ ভরি স্বর্ণসহ আটক ৭   কক্সবাজার সৈকতে সরকারি জমিতে ‘হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্ট!   মাঝ আকাশে হামলার শিকার সেই ভারতীয় ‘হিরো’ পাইলটকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন দুবাইয়ের যুবরাজ   সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফুয়াং ক্লাবে এসআরবি-এনবিআরের অভিযান   ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি প্রকাশ   এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতায় ‘জাতির কাছে লজ্জিত’ কোচ সালাউদ্দিন   
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দেখা গেল হারিয়ে যাওয়া হীরামন টিয়ার
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম   (ভিজিট : ১৩২)

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দেখা মিলল হীরামন টিয়ার। ফলের গাছ ও আবাসস্থল কমায় হারিয়ে যাচ্ছে পরিচিত এই পাখি। একসময় দেশের গ্রাম-গঞ্জের পাশাপাশি শহরের বাড়ির বাগানেও হরহামেশাই দেখা মিলত হীরামন বা ফুলমাথা টিয়া পাখির। গাছের ফল খেতে আসা এই সুন্দর পাখির কিচিরমিচিরে মুখর থাকত অনেক এলাকা। তবে খাদ্য ও আবাসস্থলের সংকটে আগের মতো আর দেখা মেলে না পাখিটির।

 সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জে দেখা মিলেছে একটি হীরামনের। পাখিটির ছবি তুলেছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও প্রকৃতিবিষয়ক লেখক ড. তুহিন ওয়াদুদ।

হীরামন পাখি দেশীয় ফল কামরাঙা খেতে বিশেষভাবে পছন্দ করে। একসময় গ্রাম-গঞ্জের পাশাপাশি শহরের বাড়ির কামরাঙাগাছেও এ পাখির বিচরণ দেখা যেত। কামরাঙাগাছের পাতা ও ফলের সঙ্গে পাখিটির শরীরের রঙের কিছুটা মিল থাকায় পাতার আড়ালে বসে থাকা হীরামন সহজে চোখে পড়ে না। তবে সময়ের সঙ্গে ফলের গাছ কমে যাওয়া এবং আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ায় পাখিটির বিচরণও কমে এসেছে।

পুরুষ ও স্ত্রী হীরামন পাখির মধ্যে রঙের পার্থক্য রয়েছে। পুরুষ পাখির মাথার পেছনে মুকুটের মতো অংশ থাকে। নাক ও গালের রং গোলাপি থেকে ফ্যাকাশে নীল। গলায় থাকে সরু কালো কলার এবং চিবুকে কালো ডোরাকাটা দাগ। স্ত্রী পাখির মাথা ফ্যাকাশে ধূসর। তার গলায় কালো কলার ও চিবুকে ডোরাকাটা দাগ থাকে না। অপরিণত পাখির মাথা সবুজ ও চিবুক ধূসর রঙের। তাদের লাল কাঁধের প্যাচও থাকে না।

হীরামন সাধারণত প্রায় ১৮ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। লেজসহ এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার। গাছের গর্তে বাসা বাঁধে পাখিটি। একবারে সাধারণত চার থেকে পাঁচটি সাদা ডিম দেয়।

হীরামন পাখি নিয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী ফজলুর রহমান বাবু ‘হীরামন পাখি’ নামে একটি গানও গেয়েছেন। গানটি শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

পাখিটির আলোকচিত্রী ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, একসময় উত্তরাঞ্চলের প্রায় সব জায়গাতেই হীরামন পাখির দেখা মিলত। এখন আর আগের মতো দেখা যায় না। এ পাখি গাছের ফল খেতে পছন্দ করে। ফলের গাছ কমে যাওয়া ও আবাসস্থলের সংকটে ধীরে ধীরে পাখিটির সংখ্যা কমে যাচ্ছে।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]