প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৭ পিএম (ভিজিট : ৪৭)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নৌবাহিনী প্রধানকে এডমিরাল র্যাংক পরিয়ে দেন
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাকে এডমিরাল র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।
পদোন্নতি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, প্রতিরক্ষা সচিব এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত ২৩ জুলাই খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি ২০২৯ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত তিন বছরের জন্য নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।
খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৮৯ সালে তিনি এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পাশাপাশি দেশ-বিদেশে উচ্চতর সামরিক ও পেশাগত শিক্ষা গ্রহণ করেন তিনি। মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে তার পিএইচডি ডিগ্রিও রয়েছে।
প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও স্টাফ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল, কমান্ডার সাবমেরিন, কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি এবং নৌ সদর দপ্তরের পরিচালক নৌ অপারেশনসসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
এ ছাড়া লেবানন ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। সর্বশেষ তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে পেশাগত দক্ষতা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নৌবাহিনী পদক, নৌ-পারদর্শিতা পদক, জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারসহ বিভিন্ন পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ সামরিক পদে পদোন্নতির মধ্য দিয়ে এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের নেতৃত্বে বাহিনীর আধুনিকায়ন, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা এবং পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।