প্রকাশ: রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম (ভিজিট : ৩৯)

ছবি : পিএমও
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে কোনোভাবেই বিবেচনায় না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য এবং দায়িত্ব পালনের উপযুক্ততার ভিত্তিতেই কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন করতে হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে ‘নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। এ পর্ষদের মাধ্যমে দুই বাহিনীর যোগ্য কর্মকর্তাদের পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হবে।
পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদমর্যাদার যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে নৌ ও বিমানবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি দুই বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব ও ত্যাগের প্রশংসা করে বলেন, ভবিষ্যতের নেতৃত্ব বাছাইয়ে যোগ্যতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় তৈরি বিভিন্ন ধরনের ইউএভি ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর বিভিন্ন অপারেশনাল ও গবেষণা কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন।