প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৪ এএম (ভিজিট : ১০৩)

সংগৃহীত ছবি
নিজ সন্তানের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, শিক্ষার্থীদের শাসন, স্নেহ ও যত্নেরও নির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নৈতিকতা আরও কঠোর হওয়া উচিত। ‘পিতার মতো’ কিংবা ‘বড় ভাইয়ের মতো’ পরিচয় দিয়ে সীমা লঙ্ঘনের বৈধতা দেওয়া যায় না। স্নেহ ও শাসনের সীমা বুঝতে ব্যর্থ হলে একজন শিক্ষকের নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠা উচিত।
অভিযোগের বিষয়ে সাইফুল্লাহ বলেন, অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তদন্তের আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। সত্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও লেখেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর। এতে একদিকে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয়, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতাও নষ্ট হয়।
পোস্টে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, নিজেদের অন্যায় আড়াল করে অন্যের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হওয়া কেমন নৈতিকতা? অন্যায়কে অন্যায় বলতে না পারলে নিজেদের সংশোধন করা সম্ভব নয়; সে ক্ষেত্রে অন্যদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন থাকে।
পোস্টের শেষাংশে সাইফুল্লাহ বলেন, ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে পরিবর্তিত হতে পারে না। সন্তানের নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো আপস করা যাবে না এটাই তাঁর বক্তব্যের মূল কথা।