প্রকাশ: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম (ভিজিট : ৯৯)

সংগৃহীত ছবি
আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলার পর লিওনেল মেসিকে ঘিরে বুয়েনস আইরেসের এল মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে তৈরি হয় আবেগঘন এক মুহূর্ত। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় রাঙানোর পর বিশেষ ড্রোন শোর মাধ্যমে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির দীর্ঘ পথচলার স্মরণীয় মুহূর্তগুলো তুলে ধরা হয় আকাশে।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় ব্যতিক্রমী এই আয়োজন। ৩৯ বছর বয়সী মেসি তখন সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে দাঁড়িয়ে। অন্ধকার আকাশে একের পর এক ড্রোনের আলোকচ্ছটায় ফুটে উঠতে থাকে জাতীয় দলের হয়ে তার ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও স্মরণীয় গোলের দৃশ্য।
ড্রোন শোর সবচেয়ে আবেগঘন অংশগুলোর একটি ছিল ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ জয়ের পর ট্রফিতে চুম্বনরত মেসির ঐতিহাসিক ছবিও ড্রোনের আলোয় আকাশে ফুটিয়ে তোলা হয়। বিশ্বকাপ জয়ের সেই স্মরণীয় দৃশ্য আবারও সামনে আসায় পুরো আয়োজন পায় ভিন্ন মাত্রা।
সতীর্থদের পাশে দাঁড়িয়ে পুরো আয়োজন উপভোগ করেন মেসি। এ সময় তাকে আবেগাপ্লুত দেখা যায়। যে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তিনি বছরের পর বছর অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন, সেই জার্সিতে শেষ ম্যাচের পর তার ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোই যেন একে একে ফিরে আসে মনুমেন্টালের আকাশে।
বেনিনের বিপক্ষে জয়টি তাই শুধু একটি ম্যাচের সমাপ্তি ছিল না; এটি ছিল আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির দীর্ঘ আন্তর্জাতিক পথচলার প্রতীকী পরিসমাপ্তিও। আর সেই বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে ড্রোন শোর মাধ্যমে তুলে ধরা হয় তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য অর্জন ও মুহূর্তগুলো।
আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির পথচলায় রয়েছে বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও অসংখ্য স্মরণীয় ম্যাচের ইতিহাস। রয়েছে শত শত গোল এবং কোটি সমর্থকের ভালোবাসা। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের এই অধ্যায় শেষ হলেও মেসি ও আর্জেন্টিনার সেই সম্পর্কের স্মৃতি যে আরও বহুদিন বেঁচে থাকবে, বিদায়ী রাতের আয়োজন যেন তারই প্রতিচ্ছবি হয়ে থাকল।