মঙ্গলবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৬ ● ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: সঞ্চিয়া বিনতে আলীর নেতৃত্বে কৃষি ব্যাংকে দৃশ্যমান পরিবর্তনের ধারা   যশোর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তৌহিদুর রহমান আর নেই   ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে’ সাধারণ ছুটি   এক টাকার মাস্টার লুৎফুর রহমানকে অবসরভাতা দেবে সরকার   কোরআনের স্পর্শে শিশুদের চিন্তা ও জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন   চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সরকারের কঠোর নির্দেশনা   গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী   
আগামীকাল জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস
সুশাসন নিশ্চিতে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন সংস্কারের আহ্বান
প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৯ পিএম   (ভিজিট : ১৯)

আগামীকাল (০৬ অক্টোবর) জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৬। এই বছরের প্রতিপাদ্য “নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন”। সঠিক ও নির্ভুল জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কেবল নাগরিক অধিকার সুরক্ষার ভিত্তিই নয়, বরং উন্নয়ন পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, ন্যায়সংগত বাজেট বণ্টন এবং রাষ্ট্রীয় সুশাসন নিশ্চিত করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ নিবন্ধন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও কিছু আইনি দুর্বলতা এই লক্ষ্য পূরণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।    

বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গড় হার যথাক্রমে ৫০ এবং ৪৭ শতাংশ অর্থাৎ এখনো অর্ধেক মানুষকে নিবন্ধন না থাকার কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার পেতে বেগ পেতে হচ্ছে। সময়মতো ও নির্ভুল নিবন্ধনের অভাবে দেশে শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, মানবপাচারসহ বিভিন্ন ধরনের মানবধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা ব্যাহত করছে। একইভাবে, মৃত্যু নিবন্ধন না থাকায় উত্তরাধিকার প্রমাণে জটিলতা সৃষ্টি হয়। আত্মীয়দের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে গ্রাম, চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা ও নগরের বস্তি এলাকায় মৃত্যু নিবন্ধন হার অনেক কম। 

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্ভুল নিবন্ধন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪’ এর সংস্কার প্রয়োজন। পরিবারের ওপর একক দায় না রেখে সকল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে সরাসরি নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদান করা হলে দেশে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জন্ম নেওয়া প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশু স্বয়ংক্রিয় ও নির্ভুল নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এতে তথ্য বিকৃতি কমবে, ভুয়া বা ভুল নিবন্ধনের সুযোগ বন্ধ হবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসডিজি ১৬.৯ (সবার জন্য আইনি পরিচয় নিশ্চিতকরণ) অর্জন দ্রুততর হবে। 

জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)-এর নির্বাহী পরিচালক, এবিএম জুবায়ের বলেন, “সুশাসন নিশ্চিত করার প্রথম শর্তই হলো নাগরিকদের নির্ভুল ও সার্বজনীন তথ্য সংরক্ষণ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ সংস্কার করে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব দিলে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।” 









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]