মঙ্গলবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৬ ● ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: সঞ্চিয়া বিনতে আলীর নেতৃত্বে কৃষি ব্যাংকে দৃশ্যমান পরিবর্তনের ধারা   যশোর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তৌহিদুর রহমান আর নেই   ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে’ সাধারণ ছুটি   এক টাকার মাস্টার লুৎফুর রহমানকে অবসরভাতা দেবে সরকার   কোরআনের স্পর্শে শিশুদের চিন্তা ও জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন   চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সরকারের কঠোর নির্দেশনা   গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী   
টাকা দিয়ে সবকিছু করা যায়, কিন্তু বাঁচতে হলে আগে পৃথিবীকে বাঁচাতে হবে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম   (ভিজিট : ৪৯)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ বলেছেন, পৃথিবীর সবকিছুই অর্থের ওপর নির্ভরশীল। তবে সেই অর্থ কাজে লাগাতে হলে আগে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। তাই এমন উন্নয়ন কৌশল প্রয়োজন, যাতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় রেখেও পরিবেশের ক্ষতি কমানো যায়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর সমাপনী দিনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাশিদ বলেন, ‘আমি সমৃদ্ধি বুঝি, বাণিজ্য বুঝি, ফাইন্যান্স বুঝি। আমি জানি, পৃথিবীর সবকিছুই টাকার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু সেই টাকাকে ব্যবহার করতে হলে আগে তো আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, গ্রহ ও পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে সমমানের অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া যায়—এমন উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মানুষের জীবনযাত্রার ধরনেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন নাশিদ। তবে শুধু পরিবেশ রক্ষার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর মানুষকে দরিদ্র অবস্থায় থাকতে বলা যায় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, কিছু দেশ পৃথিবীর সম্পদ ব্যবহার করে সমৃদ্ধ হয়েছে, যার প্রভাব অন্য দেশগুলোর ওপর পড়েছে। নেপাল বা মালদ্বীপের মানুষ এমন কোনো কাজ করেনি, যার কারণে ভয়াবহ বন্যা বা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির দায় ও এর খেসারত নিয়েও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেন, মালদ্বীপের মতো দেশগুলো পৃথিবীকে পরিবেশগত সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এর বিনিময়ে তারা কোনো দান বা অনুদান চায় না; বরং ন্যায্য পাওনা দাবি করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সমুদ্রসীমা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন নাশিদ। তিনি বলেন, কোনো দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে গেলে সেই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার কী হবে—এ প্রশ্ন এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনকে শুধু অন্য দেশের সমস্যা মনে করা ভুল। মালদ্বীপ হারিয়ে যাওয়ার আগেই বিশ্বের অন্যান্য দেশও এর প্রভাবের মুখোমুখি হতে পারে। তাই সবাইকে এখনই সচেতন হয়ে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। একই সঙ্গে সমুদ্র আইন ও রাষ্ট্রের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়গুলোও নতুন বাস্তবতার আলোকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর সমাপনী দিনে এসব কথা বলেন মালদ্বীপের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।










  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]