প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১২ এএম (ভিজিট : ১০০)

সংগৃহীত ছবি
কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আগামী নভেম্বরে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। এ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে।
সোমবার ঢাকার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আয়োজিত এক সভায় এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মন্ত্রী বলেন, আগামী নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি উদ্বোধনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে। কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সরাসরি কক্সবাজারে আসতে পারবেন।
তিনি জানান, কক্সবাজার ও চীনের কুনমিংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু করা চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স ও চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের জন্য সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হতে পারে। এ ছাড়া এয়ার এশিয়া পেনাংয়ের সঙ্গে কক্সবাজারের সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে।
কক্সবাজার-ব্যাংকক-দুবাই রুটে ফ্লাইট চালুর বিষয়ে ফ্লাইদুবাইয়ের আগ্রহকে স্বাগত জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায় এয়ারলাইন্সগুলোকে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।
সভায় অংশ নেওয়া দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজাররা কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। এ সময় বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নতুন রুট চালুর আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পশ্চিম এশিয়ার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন বিমানমন্ত্রী। রিয়াদে হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ ঘটনার কারণে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বজুড়েই বিমান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিমান ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতারের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ।