প্রকাশ: রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ এএম (ভিজিট : ১০৮)

সংগৃহীত ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের একটি ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির মধ্যে দেওয়া নিজের পোস্টটি মুছে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।
পরবর্তী এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ জানান, একই ধরনের পোজের ছবি নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির কারণে কোন ছবিটি আসল, তা যাচাই করতে চেয়েছিলেন তিনি।
তিনি লেখেন, একই রকম পোজের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন কোন ছবিটি আসল। পরে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ায় আগের পোস্টটি মুছে দিয়েছেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের ছবিটি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন আসিফ মাহমুদ। একই সঙ্গে কসোভোর প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তি ও তার স্ত্রীর আরেকটি ছবিও প্রকাশ করেন তিনি।
কসোভোর প্রধানমন্ত্রীর ওই ছবিতে ঘরের মাঝখানে ট্রাম্পকে মানুষের সমান আকৃতির একটি কার্ডবোর্ড কাটআউট হিসেবে দেখা যায়। ছবি দুটি শেয়ার করে আসিফ মাহমুদ জানতে চান, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা কেউ যাচাই করতে পেরেছেন কি না।
পরবর্তীতে রোমানিয়ার একটি গণমাধ্যমের ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদনে বলা হয়, কসোভোর প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তি ও তার স্ত্রীর ছবিতে ট্রাম্পকে কার্ডবোর্ড কাটআউট হিসেবে দেখানো ছবিটি মূল ছবি নয়, বরং এটি একটি মিম হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।
প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, ইন্টারনেটে প্রচলিত একটি রসিকতা থেকে ছবিটি সম্পাদনা করা হয়। মূল ছবিতে আলবিন কুর্তির পাশে ট্রাম্পকে বাস্তব অবস্থায় দেখা যায়।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আসা বিশ্বনেতাদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ওই নৈশভোজের একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে দেখা যায়। ছবিটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা ও বিভ্রান্তি তৈরি হলে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দেন আসিফ মাহমুদ। পরে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ায় পোস্টটি মুছে দেওয়ার কথা জানান তিনি।