| শিরোনাম: |
সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর পরিবেশ সুরক্ষায় বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে মাসব্যাপী রোস্টারভিত্তিক মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম শুরু করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
গত ১৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার-এর নেতৃত্বে ঢাকার চারপাশের নদীসমূহের পরিবেশ সুরক্ষায় একটি কেন্দ্রীয় সেল গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় সেলের অধীনে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই সাব-কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে রোস্টারভিত্তিক মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার পরিচালক মো. মাহবুব জামিল, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন মো. গোলজার হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম এবং ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ হাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশের প্রতিনিধিরাও মনিটরিং কার্যক্রমে অংশ নেন।
মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের আওতায় ঢাকা মহানগরীর শ্যামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকায় মেসার্স বাহার ডাইং, খাদিজা টেক্সটাইল প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিজ, এরিস্টোফার্মা লিমিটেডসহ মোট ৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনকালে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর তরল বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট বা ETP (Effluent Treatment Plant) এবং সার্বিক পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে পরবর্তী বিশ্লেষণের জন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে মাসব্যাপী রোস্টারভিত্তিক মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।