প্রকাশ: রোববার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম (ভিজিট : ৪৬)

সংগৃহীত ছবি
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ১০টি পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার বিপরীতে নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রমজান মাসে এসব পণ্যের চাহিদা বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমদানি সহজ করা, মূল্য সহনীয় রাখা এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনার আওতায় রয়েছে চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর। এসব পণ্য আমদানির জন্য এলসি খোলার ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে কয়েকটি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রমজানের চাহিদা বিবেচনায় কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই নির্দেশনার মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
এবার আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে একই ধরনের সুবিধা আবারও চালু করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নতুন এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।