রবিবার ● ৮ নভেম্বর ২০২৬ ● ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: ৫ আগস্টের পর ভোল পাল্টে বিএনপির পরিচয়ে? মোঃ ফিরোজ মিয়াকে ঘিরে অতীত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি   ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির নতুন আহ্বায়ক আবদুস সালাম, সদস্য সচিব রবিন   শেখ হাসিনাকে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী মনে করে বাংলাদেশ: আইনমন্ত্রী   জয়পুরহাটের ডিসিকে অপসারণে ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম   ১৯ নভেম্বর লালমনিরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   এসআরবির নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্বে ফারুক আহমেদ   প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন: ইসি সচিব   
সরকারি দপ্তরে রাজনৈতিক পরিচয় বদলের অভিযোগ
৫ আগস্টের পর ভোল পাল্টে বিএনপির পরিচয়ে? মোঃ ফিরোজ মিয়াকে ঘিরে অতীত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম   (ভিজিট : ৪৫)

মোঃ ফিরোজ মিয়া, সহকারী পরিচালক, বেসরকারি কলেজ-৩

মোঃ ফিরোজ মিয়া, সহকারী পরিচালক, বেসরকারি কলেজ-৩

সরকারি দপ্তরে রাজনৈতিক প্রভাব, অতীত কর্মকাণ্ড ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত থাকার অভিযোগ এবং ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে নিজেকে উপস্থাপনের দাবি ঘিরে আলোচনায় এসেছেন মোঃ ফিরোজ মিয়া, সহকারী পরিচালক, বেসরকারি কলেজ-৩।


তাঁকে ঘিরে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও অতীত কর্মকাণ্ড যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।


অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন


অভিযোগকারীদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে মোঃ ফিরোজ মিয়া বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর অবস্থান ও রাজনৈতিক পরিচয়ে পরিবর্তন এসেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।


তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে প্রশাসনিক নথি, অতীত কর্মকাণ্ড ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।


নিজ জেলা পরিচয় নিয়েও বিতর্ক


তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়েও একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাট হলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে বগুড়ার বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এ বিষয়টিরও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি কোথায়?


একজন সরকারি কর্মকর্তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতেই পারে। তবে সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ উঠলে তা তদন্তের আওতায় আনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতার স্বার্থেই গুরুত্বপূর্ণ।


এ ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে:

বিগত সরকারের আমলে মোঃ ফিরোজ মিয়ার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ভূমিকা কী ছিল?

রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কোনো বিশেষ সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের সত্যতা রয়েছে কি?


৫ আগস্টের পর তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের অভিযোগ কতটা সত্য?

তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছে কি?

সরকারি দায়িত্ব পালনে তাঁর নিরপেক্ষতা, পেশাগত সততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়েছে কি?


নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি


সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের অতীত কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনিক ভূমিকা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা জরুরি। রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তন নয়, বরং সরকারি দায়িত্ব পালনে সততা, যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতাই হওয়া উচিত মূল্যায়নের প্রধান মানদণ্ড।


মোঃ ফিরোজ মিয়াকে ঘিরে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করছেন অভিযোগকারীরা।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।










  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]