প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১০ পিএম (ভিজিট : ৮৫)

সংগৃহীত ছবি
মানুষের জীবনে নানা সময় বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা ও প্রতিকূলতা দেখা দেয়। এসব কঠিন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি, মানসিক প্রশান্তি ও নিরাপত্তা লাভের প্রত্যাশা সবারই থাকে। বিশেষ করে দুর্ভাগ্য, তাকদিরের অকল্যাণকর পরিণতি এবং শত্রুর অনিষ্ট থেকে রক্ষা পেতে মুমিনরা মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেন।
এমন পরিস্থিতিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া শিখিয়েছেন। হাদিসে বর্ণিত এ দোয়ায় কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্য, তাকদিরের মন্দ পরিণতি এবং শত্রুর বিদ্বেষ ও আনন্দ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে।
দোয়াটি হলো-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلَاءِ، وَدَرَكِ الشَّقَاءِ، وَسُوءِ الْقَضَاءِ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিন জাহদিল বালাই, ওয়া দারকিশ শাকাই, ওয়া সুইল কাদাই, ওয়া শামাতাতিল আ’দা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কঠিন বালা-মুসিবত, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, তাকদিরের মন্দ পরিণতি এবং শত্রুদের আনন্দ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
দোয়াটি নিয়মিত পাঠের মাধ্যমে একজন মুমিন আল্লাহর কাছে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করতে পারেন এবং জীবনের নানা বিপদ-আপদ থেকে তাঁর আশ্রয় চাইতে পারেন। ফজরের নামাজের পর অন্যান্য মাসনুন আমলের পাশাপাশি দোয়াটি পড়া যেতে পারে।
তবে দোয়াটি কতবার পড়তে হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সহিহ দলিল না থাকলে বিশেষ কোনো সংখ্যাকে বাধ্যতামূলক মনে করা উচিত নয়। একইভাবে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যায় দোয়া পড়লেই তাকদির নিশ্চিতভাবে পরিবর্তিত হবে এমন ধারণাও সঠিক নয়। বরং দোয়ার মূল বিষয় হলো আন্তরিকতা, আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা এবং তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা।
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সব ধরনের বিপদ-আপদ, দুর্ভোগ, অকল্যাণ ও শত্রুর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। জীবনে শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ দান করুন। আমিন।