
সংগৃহীত ছবি
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত ঐতিহাসিক ‘সার্বভৌমত্ব’ র্যালিতে পায়ে হেঁটে নেতাকর্মীদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টার পর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালির উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
র্যালিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের পাশ দিয়ে হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
এর আগে বিকেল পৌনে ৩টা থেকে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অংশ নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণ ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম ডা. জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান ও ফরহাদ হালিম ডোনার।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপিসহ ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা র্যালিতে অংশ নেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ২০ বছর পর দলটি নির্বিঘ্নে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করছে। দলটির দাবি, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দিবসটি নিয়ে অপপ্রচার ও ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। ফলে নতুন প্রজন্ম দিবসটির ঘটনা, প্রভাব ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পারেনি। বিএনপি সরকার গঠনের পর দিবসটির প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে দলটি।