শনিবার ● ৭ নভেম্বর ২০২৬ ● ২২ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: সামিটের এলএনজি টার্মিনাল চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ   ‘ডিসেম্বরে আপার দেশে ফেরার সুযোগ নেই, এলেও ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত’: নাহিদ ইসলাম   সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি   নেতাকর্মীদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   আত্রাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত   ৭ নভেম্বর না হলে দেশ ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত হতনা: নাসের রহমান   শরণখোলায় বিপ্লব ও‌ সংহতি দিবস পালিত    
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্তর্নিহিত শক্তি ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা: রিজভী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২:০৩ পিএম   (ভিজিট : ৭১)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের চেতনাই ছিল ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্তর্নিহিত শক্তি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি এ বাণী দেন।

বাণীতে রিজভী বলেন, ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। তাঁর মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্তর্নিহিত প্রেরণা ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা। এ কারণে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের গুরুত্ব এখনো অপরিসীম।

তিনি বলেন, জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বর একটি ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সৈনিক ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। জাতীয় জীবনে এ বিপ্লবের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রিজভীর ভাষ্য, স্বাধীনতার পর তৎকালীন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছিল। মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধ করে বাকশালকে একমাত্র রাজনৈতিক দল হিসেবে গঠন করা হয়। পাশাপাশি ভিন্নমতাবলম্বী সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়ায় দেশে অশান্তি ও নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও বলেন, মাতৃভূমির এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর চক্রান্তকারীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে। ওই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর স্বাধীনতা রক্ষায় দেশপ্রেমিক সৈনিক ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। সৈনিক-জনতার ঐতিহাসিক সংহতির মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, এ পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী ভিত্তি পায়। গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত হয় এবং জনগণ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরে পায়। তাঁর দাবি, ৭ নভেম্বর থেকেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে, উৎপাদন ও সমৃদ্ধির গতি বাড়ে এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থনীতির ভিত্তি রচিত হয়। একপর্যায়ে দেশ স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।

জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বিদেশি শক্তির এদেশীয় অনুচররা নিজেদের লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে বাধা মনে করে ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। জিয়াউর রহমান শাহাদাত বরণ করলেও তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত মানুষ দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় এখনো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নির্মমভাবে ব্যবহার করেছে। গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছিল। সরকারের ধারাবাহিক নির্যাতনের অংশ হিসেবে লক্ষাধিক নেতাকর্মীর পাশাপাশি ‘গণতন্ত্রের প্রতীক’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছিল।

বাণীর শেষাংশে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান রুহুল কবির রিজভী।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]