প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩২ এএম (ভিজিট : ২৬)

সংগৃহীত ছবি
খুলনায় ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে পৃথক তিনটি গুলির ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। তবে বুধবার পর্যন্ত এসব ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। কোনো মামলাও হয়নি। এর মধ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলায় পরপর দুটি গুলির ঘটনার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ সাবেক ছাত্রদল নেতা সোহেল শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত থেকে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার মধ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলার দুটি এলাকা এবং খুলনা মহানগরীর সদর থানার নিরালা আবাসিক এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। তিনটি ঘটনাতেই অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়।
গুলিবিদ্ধ অন্য দুজন হলেন বটিয়াঘাটার জলমা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি অহিদুল ইসলাম বাদল এবং জাপান টোব্যাকো কোম্পানির কর্মী সালমান হাওলাদার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর বাদল চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। অন্যদিকে সালমানের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বটিয়াঘাটায় পরপর দুটি গুলির ঘটনার পর ওসি মারুফ হোসেনকে প্রত্যাহার করে বুধবার পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। গত ৫ জুন তিনি বটিয়াঘাটা থানায় যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর স্থলে পাইকগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমানকে পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার তিনি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
খুলনার পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুখ বলেন, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বটিয়াঘাটা থানায় নতুন ওসি পদায়ন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মাদক ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে দুজনকে গুলি করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।