
সংগৃহীত ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০০ জনে। এ ছাড়া হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছেন ১০৪ জন। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৪ জনে।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৯৩, চট্টগ্রামে ১০২, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৫, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ এবং রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে এসেছেন ১ হাজার ২১৭ জন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৮৬ জন, চট্টগ্রামে ২৫১, বরিশালে ১২৫, সিলেটে ১১৮, খুলনায় ৯৭, ময়মনসিংহে ৬৩, রাজশাহীতে ৩৩ এবং রংপুরে ২৫ জন রয়েছেন।
বুলেটিনে আরও জানানো হয়, দেশে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬১ জনে। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ১৬৮ জন।
এদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৬৮ জনে। তাঁদের মধ্যে ২৩ হাজার ১৯৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব সংরক্ষণ করছে।
তবে হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সবার হাম পরীক্ষা করা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন। মূলত হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হচ্ছে।