শুক্রবার ● ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ● ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হকের নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত   মাহফুজ হত্যা মামলা: মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ আদালতের   মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে সম্মতি, তালিকাভুক্ত হচ্ছে ৩৩৮ এজেন্সি   সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাইয়ের কফিনে রাষ্ট্রপতি ও ও প্রধানমন্ত্রীর পুস্পস্তবক অপর্ণ করে শ্রদ্ধা    মক্কার মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর   কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষকের হাতে প্রণোদনা পৌঁছানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির   রাজনৈতিক বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় ভারত ছাড়ার নির্দেশ বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে   
মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে সম্মতি, তালিকাভুক্ত হচ্ছে ৩৩৮ এজেন্সি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম   (ভিজিট : ১৬৮)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী সম্পূর্ণ বিনা খরচে নিয়োগের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ও জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্রের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্যও ব্যবহার করতে হবে অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টার।

মন্ত্রণালয় জানায়, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী দেশটিতে কাজ করছেন এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা এবং স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও অংশগ্রহণমূলক নিয়োগব্যবস্থা গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন ও তালিকাভুক্ত করার বিধান রয়েছে। অন্যান্য উৎসদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রেও মালয়েশিয়া নিজস্ব নীতিমালা ও যোগ্যতার শর্ত অনুসরণ করে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মালয়েশিয়ার নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর যোগ্যতা যাচাই শুরু হয়। আলোচনার একপর্যায়ে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় কিছু শর্তে নমনীয়তা দেখায় মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ। কারণ, প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত কয়েকটি শর্ত পূরণ করা বাংলাদেশের অনেক এজেন্সির জন্য কঠিন ছিল।

এর ধারাবাহিকতায় প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ও সহায়ক দলিলসহ ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। এ প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে।

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বন্ধ ও সীমিত হয়ে যাওয়া বৈদেশিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়। এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর প্রথম সরকারি বিদেশ সফরে দেশটিতে গিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার আইন, নির্ধারিত যোগ্যতার মানদণ্ড ও বিদ্যমান সমঝোতা মেনে যত বেশি সম্ভব বৈধ ও যোগ্য বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। একই সঙ্গে কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা এবং অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল), ২৫টি বেসরকারি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং আরও ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। সব মিলিয়ে এজেন্সির সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৩৩৮টি।

তালিকাভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নিজেদের উদ্যোগে মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা খুঁজে বের করতে এবং চাকরির চাহিদাপত্র বা জব অর্ডার সংগ্রহ করতে পারবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে নিয়োগের বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ। তবে এ নিয়োগ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ার অনুমোদন পাওয়া বৈধ ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নিজেদের উদ্যোগে দেশটির শ্রমবাজার থেকে জব অর্ডার বা কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সংগ্রহ করবে।

দ্বিতীয় ধাপে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ করে কর্মী নির্বাচন এবং নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কর্মী সংগ্রহ ও নির্বাচনের দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির ওপর।

তৃতীয় ধাপে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কলিং ভিসা, ই-ভিসা ও অন্যান্য নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়ার প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করা হবে। এ ক্ষেত্রে বোয়েসেলসহ তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রসেসিং ও সার্ভিস এজেন্সি প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।

মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। অনুমোদিত প্রতিটি এজেন্সি নিজেদের রিক্রুটিং লাইসেন্সের অধীনে কর্মীদের বিএমইটি ছাড়পত্র নিতে পারবে।

বোয়েসেল ও অপর ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি প্রশাসনিক কার্যক্রমে সহায়তা করবে। বিএমইটির ছাড়পত্রের জন্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সিকে অনাপত্তিপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রেও তারা ভূমিকা রাখবে। এতে প্রতিটি এজেন্সির নিজস্ব দায়িত্ব, জবাবদিহি ও ব্যবসায়িক স্বাধীনতা বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টারের তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ এখনো চলছে। বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, এ তালিকা চূড়ান্ত করার দায়িত্ব বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের যৌথ।

শ্রমবাজার দ্রুত চালুর স্বার্থে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যমান মেডিক্যাল সেন্টারগুলো পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে সরেজমিনে প্রতিটি মেডিক্যাল সেন্টার পরিদর্শনের পর চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। এ কারণে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আরও সময় প্রয়োজন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, মালয়েশিয়া সরকারের অনুমোদিত বিদ্যমান তালিকা থেকে বাংলাদেশের অনুরোধে অনিয়ম ও বিতর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল সেন্টারগুলো বাদ দিয়ে অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব কেন্দ্র মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত রয়েছে।

শ্রমবাজার চালুর পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব মালয়েশিয়ার তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে নতুন নীতিমালার আলোকে মেডিক্যাল সেন্টারগুলো যাচাই-বাছাই করবে। এরপর পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ শুরু হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত মেডিক্যাল সেন্টারগুলো বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত যাচাই-বাছাই করে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় আইন ও বিধি মেনে চলতে হয়। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য করা হবে। পুরো প্রক্রিয়া নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে সরকার।

নতুন কোনো মেডিক্যাল সেন্টার অনুমোদন পেলে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ও সবার জন্য তালিকাটি প্রকাশ করবে। এ বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্যও অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টার ব্যবহার করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট মেডিক্যাল সেন্টারকে এককভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। কর্মীরা যাতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পান, সে লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি কর্মীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপানো ঠেকানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। কর্মীরা যাতে সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে দেশের আইন মেনে নতুন জব অর্ডার সংগ্রহ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রমে কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগে দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি সহযোগিতা ও ইতিবাচক মনোভাবের জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সুযোগ সফল করতে সরকার, রিক্রুটিং এজেন্সি ও কর্মীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি, সুশৃঙ্খল ও টেকসই শ্রমবাজার গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]