প্রকাশ: রোববার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম (ভিজিট : ১০৭)

সংগৃহীত ছবি
প্রথম ধাপে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিমানমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সক্ষমতা বাড়ছে। সেই সম্ভাবনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের বিমানবহরও বড় করতে চান তাঁরা। তাঁর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে দেশে ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজ থাকবে।
তিনি জানান, উড়োজাহাজগুলো দেশে আসতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগতে পারে। ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে উড়োজাহাজ আসা শুরু হবে এবং ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে সেগুলো দেশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের বিমানবহরে থাকা উড়োজাহাজগুলো একসময় পুরোনো হয়ে যাবে। তখন বিমান পরিবহনব্যবস্থা সচল রাখা এবং ভবিষ্যতের যাত্রী চাহিদা পূরণে নতুন উড়োজাহাজের প্রয়োজন হবে। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এখন থেকেই এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রথম ধাপে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনাকে দেশের বিমান পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখতে হবে। ধাপে ধাপে বিমানবহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ একসময় ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজ পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মতো গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট চালুর জন্য প্রয়োজনীয় উড্ডয়ন ও অবতরণের স্লট নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করতে হবে।
বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটনশিল্পের বিকাশেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ লক্ষ্যে নেত্রকোণার বিরিশিরিকে জাতীয় পর্যায়ের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।