প্রকাশ: রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম (ভিজিট : ৭৫)

সংগৃহীত ছবি
দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া সেপ্টেম্বর মাসে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকার বেশি, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ২৮৬ কোটি ডলার এবং আগস্টে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। ফলে জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার।
এই পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশে ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।
রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। বৈধ পথে প্রবাসী আয় বাড়লে দেশে ডলারের সরবরাহ বাড়ে, যা আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, হুন্ডি নিরুৎসাহিত করতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেবা সহজ করার ফলে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। ধারাবাহিকভাবে প্রবাসী আয় বাড়ায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের অর্থনীতিতেও।
এর আগে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বৈধ চ্যানেলে রেকর্ড ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে আসে। আগের অর্থবছরে এসেছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে প্রবাসী আয় বেড়েছিল ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এটিই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ।