বৃহস্পতিবার ● ৫ নভেম্বর ২০২৬ ● ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: ঝিকরগাছায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত    শরণখোলায় ৩১৫ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদককারবারী আটক    অভিযোগের পাহাড় আহাদের বিরুদ্ধে, তবু বহাল স্বপদে এনবিআর কর্মকর্তা!   সংহতির রাজনীতি থেকে রাষ্ট্র-পুনর্গঠন: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদৃষ্টি ও অসমাপ্ত সংলাপ   ঈশ্বরগঞ্জে যুবদল নেতাকে হত্যার হুমকী প্রতিবাদে মানববন্ধন   চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রশ্ন, ভালো ফলের বিপরীতে একাধিক প্রতিষ্ঠানে বিপর্যয়   ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্বকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন   
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় ধরে রাখলেন তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৬ পিএম   (ভিজিট : ১২০)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিকরা। অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনসভার গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয়ী হয়ে পুনরায় দায়িত্ব নিশ্চিত করেছেন দুই সিনেটর ও এক প্রতিনিধি। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী শেখ রহমান জর্জিয়ার স্টেট সিনেটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এমডি মাসুদুর রহমান এবং নিউ হ্যাম্পশায়ারের রিপাবলিকান প্রার্থী আবুল খান নিজ নিজ আসনে জয় পেয়েছেন।

জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী শেখ রহমানের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সাধারণ নির্বাচনে ভোটের লড়াই ছাড়াই তিনি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাথমিক ফলাফলে তার পক্ষে ৩৫ হাজার ১০১ ভোট পড়েছে।

এর আগে গত ১৯ মে অনুষ্ঠিত ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করে চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত করেন শেখ রহমান। ওই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে তিনি ৬ হাজার ১৮৮ ভোট পান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যাককয় পেয়েছিলেন ৫ হাজার ১৬৬ ভোট।

বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে জন্ম নেওয়া শেখ রহমান ২০১৮ সালে জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হয়ে প্রথম এশীয় ও মুসলিম হিসেবে ইতিহাস গড়েন। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী লিসা ব্যাবেজকে প্রায় দ্বিগুণ ভোটে হারিয়ে চতুর্থবার জয়ী হন তিনি। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো আসনটির প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন শেখ রহমান।

কানেকটিকাট স্টেট সিনেটের ৪ নম্বর আসনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী এমডি মাসুদুর রহমান টানা দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেয়েছেন। নির্বাচনে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী জেন জেনিংসকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘সিটি ইনসাইডার’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে তার বিজয়ের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তিনি কত ভোট পেয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

মাসুদুর রহমানের পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে। ২০২২ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রথমবার কানেকটিকাটের ৪ নম্বর আসন থেকে সিনেটর নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তী ২০২৪ সালের নির্বাচনেও ৩৩ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে নিজের আসন ধরে রাখতে সক্ষম হন।

নিউ হ্যাম্পশায়ারের রকিংহাম-৩০ আসনে জয় পেয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী আবুল খান। দুই সদস্যের এই আসনে তিনি ১ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। একই আসন থেকে রিপাবলিকান দলের অপর প্রার্থী জেসন জ্যানভ্রিনও নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশের পিরোজপুরে জন্ম নেওয়া আবুল খান দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। অঙ্গরাজ্যটির অফিশিয়াল রেজিস্টার অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় তিনি। এরই মধ্যে ছয় মেয়াদে আইনসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৬ সালের এই জয় তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নতুন মাইলফলক যোগ করল।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় পাঁচজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী জয়ী হয়েছিলেন। তারা হলেন শেখ রহমান, নাবিলা ইসলাম পার্কস, নূরুন নবী, এমডি মাসুদুর রহমান ও আবুল খান। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনে নাবিলা ইসলাম পার্কস ও নূরুন নবীর প্রার্থিতা কিংবা ফলাফল সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া না যাওয়ায় এবারের তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]