প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৮ পিএম (ভিজিট : ৩২)

সংগৃহীত ছবি
ঢাকায় প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চার দিন শেষ হওয়ার আগেই পাওয়া এই জয়ের পর সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টেও একই মানসিকতা ধরে রাখার প্রত্যাশা জানিয়েছেন ক্যারিবীয় দলের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি।
সিরিজের বিরতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘আমি একই মানসিকতা চাই, সঙ্গে আরও বেশি ক্ষুধা। অধিনায়ক রোস্টন চেজ দলকে আমাদের লক্ষ্য সম্পর্কে আগেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। বছরটা ভালোভাবে শেষ করাও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে এখন পর্যন্ত তিনটি টেস্ট জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ সফরের আগে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে একটি করে ম্যাচ জিতলেও সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়নি তারা। এবার বাংলাদেশের মাটিতে সেই আক্ষেপ ঘোচাতে চায় ক্যারিবীয়রা।
তবে বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স সহজে জয় তুলে নিতে দেবেন না বলে মনে করেন স্যামি। তিনি বলেন, ‘ফিলকে আমি ভালো করেই চিনি। সে আমাদের কাজ সহজ হতে দেবে না। তারাও জিততে চায় এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তাদের নিজস্ব লক্ষ্য রয়েছে। তবে আমাদের খেলোয়াড়দের ক্ষুধা, সংকল্প, পরিশ্রমের মানসিকতা এবং খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগ দেখে আমি আত্মবিশ্বাসী। সিলেটে যে পরিস্থিতিই আসুক, আমরা তা সামাল দিতে পারব। বাংলাদেশে অ্যাওয়ে সিরিজ জিতে এই টেস্ট চক্র শেষ করতে আমরা প্রস্তুত। তবে তাদের ঘরের মাঠে জয় পাওয়া সহজ হবে না।’
স্যামি আরও বলেন, ‘সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টেস্ট জিতে তারা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে চতুর্থ স্থানে ছিল। এই সিরিজের গুরুত্ব আমরা ভালোভাবেই বুঝি। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্র শুরুর আগে বার্বাডোজে আমরা যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম, তা অর্জনে আমরা মুখিয়ে আছি।’
বাংলাদেশ সফরের আগে ভারতের চেন্নাইয়ে লাল বলের ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রস্তুতি ক্যাম্প করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ঢাকার টেস্টে স্পিনের বিপক্ষে ব্যাটারদের ভালো পারফরম্যান্সের পেছনে সেই প্রস্তুতির অবদান দেখছেন স্যামি।
তার ভাষ্য, ‘আমার মনে হয়, আমাদের স্পিনাররা বাংলাদেশের স্পিনারদের চেয়ে ভালো বোলিং করেছে। একইভাবে আমাদের ব্যাটাররাও তাদের তুলনায় স্পিন ভালো খেলেছে। চতুর্থ ইনিংসে ব্র্যান্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসটি ছিল বিশেষ কিছু। ম্যাচে এসব বিষয়ই আমাকে মুগ্ধ করেছে।’