শুক্রবার ● ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ● ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ, ৭৯ রানেই ৬ উইকেটের পতন   ধাওয়ার মুখে তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি: দীপ   জুমার দিনের বিশেষ ফজিলত    ইসরায়েলে আল জাজিরার ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়ল   বছরে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার খবর নাকচ করল জাপান   ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনে অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা জারি   সরকারি বাসা ভাড়া বা সাবলেট দিলে বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারি   
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পিএস পদে তিন বিচারকের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম   (ভিজিট : ৩২)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের তিন কর্মকর্তাকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে পদায়নের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। এসব পদায়ন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নির্বাহী বিভাগে নিয়োগ বা পদায়ন থেকে বিরত রাখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি মো. তৌফিক এনামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

বিচারিক দায়িত্বের বাইরে নির্বাহী বিভাগে বিচারকদের পদায়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

আইন সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস।

এর আগে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের তিন সদস্যকে দুই মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে পদায়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ২১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাশেদুল হক খোকন রিটটি দায়ের করেন।

রিটে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর ৪(১) বিধির উল্লেখ করে বলা হয়, বিধিমালার তফসিলে নির্ধারিত পদগুলো জুডিশিয়াল সার্ভিসের ক্যাডার পদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সম্প্রতি তিন বিচারককে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে যেসব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ওই তফসিলভুক্ত নয়।

রিটের তথ্য অনুযায়ী, আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব জি এম ফারহান ইসতিয়াককে (যুগ্ম জেলা জজ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে পদায়ন করে গত ৯ মার্চ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে একই বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব কামরুল হাসানকে (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিককে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (সিনিয়র সিভিল জজ) হিসেবে পদায়ন করে গত ১৬ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

রিট আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এসব প্রজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

তবে রিটকারীর যুক্তি, এসব নিয়োগ ও পদায়ন বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক রাখার সাংবিধানিক কাঠামো, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর তফসিল এবং মাসদার হোসেন মামলায় আপিল বিভাগের দেওয়া নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]