রবিবার ● ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ● ৯ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা, বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’   বিশ্বকাপের আগে ব্যাটিং কোচ পরিবর্তন, আশরাফুলের জায়গায় সালাহউদ্দিন   সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর দাফন, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা   জাঁকজমক নয়, শিউলি ফুলের স্নিগ্ধতায় পরীমণির জন্মদিন উদযাপন   আজ জাপান সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য   মক্কা-মদিনার দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অভিযোগ সৌদির, ‘মিথ্যাচার’ বলছে হুথিরা   দীর্ঘ ছুটির পর আজ খুলছে সুপ্রিম কোর্ট, বিচারকাজ শুরু দুপুরে   
সৌদি যুবরাজ, আমিরাতের শাসক ও নেতানিয়াহুর গোপন আর্থিক লেনদেনের তথ্য প্রকাশ্যে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৭ পিএম   (ভিজিট : ১৫৯)

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা থাকাকালে গোপনে বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থায়নে পরিচালিত ওই অ্যাকাউন্টের বিষয়ে নেদারল্যান্ডসের গোয়েন্দারা কুশনারের মোবাইল ফোনে নজরদারি চালিয়ে তথ্য পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সাময়িকী 'ভ্যানিটি ফেয়ার'।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুশনারকে কেন্দ্র করে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথিত আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ট্রাম্পের কাছে নিজেদের স্বার্থ ও রাজনৈতিক এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার বিনিময়ে এসব নেতার সঙ্গে কুশনার গোপন আর্থিক সমঝোতা করেছিলেন।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন কুশনার। তাঁর ভাষায়, এসব দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।

অনুসন্ধানী সাংবাদিক ম্যাথু কোলের নতুন বই 'প্রিন্সেস অ্যান্ড থিভস'-এর একটি অংশ সম্প্রতি 'ভ্যানিটি ফেয়ার'-এ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০১৭ সালে নেদারল্যান্ডসের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এক রুশ হ্যাকারের সহায়তায় কুশনারের আইফোনের স্ক্রিনে নজরদারির সুযোগ পায়। সেখান থেকেই গোয়েন্দারা তাঁর কথিত গোপন ব্যাংকিং কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের তথ্য পান।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্স্ট আবুধাবি ব্যাংকে ‘আলফা’ নামে একটি বিশেষ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে প্রায় ৭৫ কোটি ডলার লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

দাবি করা হয়েছে, আজারবাইজানের একটি ব্যাংকের গোপন ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রিয়াল ও দিরহাম মার্কিন ডলারে রূপান্তর করে ওই অ্যাকাউন্টে পাঠানো হতো। সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি সামরিক সহায়তাকারী দাতব্য সংস্থার আড়ালে পরিচালিত এই তহবিলের গোপন স্বাক্ষরকারীদের একজন ছিলেন কুশনার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন আইন ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংস্থার (আইআরএস) বিধি অনুযায়ী, সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে কোনো বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রবেশাধিকার বা আর্থিক স্বার্থ থাকলে তা প্রকাশের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে। মার্কিন আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পালনকালে অননুমোদিত বিদেশি তহবিলের নিয়ন্ত্রণে যুক্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা ফেডারেল ঘুষবিরোধী আইন ও বিদেশি প্রতিনিধিত্বসংক্রান্ত বিধির লঙ্ঘনের প্রশ্ন তুলতে পারে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে উত্থাপিত দাবি ও কুশনারের অস্বীকৃতির মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]