প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৫ এএম (ভিজিট : ১৮২)

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমান সরকারের মেয়াদেই এ কাজ সম্পন্ন করতে চায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে নতুন সচিবালয়ের তিনটি নকশা চূড়ান্ত করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নকশাগুলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছেও উপস্থাপন করা হয়েছে। গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া সমকালকে জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। তবে চূড়ান্ত পরিকল্পনা তৈরির আগে প্রস্তাবিত এলাকার সড়কের প্রশস্ততা ও যানবাহন চলাচলের পরিমাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে জরিপ করতে হবে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে নতুন সচিবালয়ের তিনটি নকশা তৈরি করা হয়েছে। নকশায় জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করা হলেও সেখানে সংসদ ভবনের মতো কোনো ফটক রাখা হয়নি। সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কানের স্থাপত্যভাবনা থেকেই নকশাগুলো প্রণয়ন করা হয়েছে।
এর আগে ২০১৫ সালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে বাণিজ্যমেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে তৎকালীন সরকার। পরবর্তী সময়ে বিদ্যমান সচিবালয় এলাকায় একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়।
এ ছাড়া সচিবালয়ের পশ্চিম পাশে পরিবহন পুল ও জিপিও এলাকায় নতুন সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন সচিবালয়ের নির্মাণকাজ শেষ হলে পুরোনো সচিবালয় এবং গুলিস্তানসংলগ্ন আশপাশের এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি দপ্তর সেখানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর প্রশাসনিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে শেরেবাংলা নগরের গুরুত্ব আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।