প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৩ পিএম (ভিজিট : ৭৬)

সংগৃহীত ছবি
২০০ কোটি টাকার অর্থ পাচার মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলমান থাকলেও ভারতে কাজের ভিসা নবায়নের আবেদনে আদালতের অনুমতি পেয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। গত ৬ অক্টোবর দিল্লির অতিরিক্ত দায়রা বিচারক গগনদীপ সিং তাঁর ভিসা নবায়নের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় অনাপত্তি সনদ (এনওসি) মঞ্জুর করেন।
শ্রীলঙ্কার নাগরিক জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ পাচার মামলার বিচার চলছে। তবে কাজের ভিসা নবায়নের জন্য আদালতের অনুমতি পাওয়ার অর্থ মামলাটি থেকে অব্যাহতি পাওয়া নয়। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলমান।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, জ্যাকুলিন বিনোদনজগতের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত এবং ভারতে তাঁর একাধিক পেশাগত কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্যও তাঁর ভারতে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন।
জ্যাকুলিনের আইনজীবী আদালতকে জানান, আদালতের অনাপত্তি সনদ ছাড়া ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) তাঁর কাজের ভিসা নবায়ন করছে না। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত ভিসার আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় এনওসি মঞ্জুর করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, জ্যাকুলিন ২০০৯ সাল থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ কর্মসংস্থান ভিসায় ভারতে বসবাস করছিলেন। এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার দূতাবাস থেকে পুনরায় পাসপোর্ট ইস্যুর শর্তে তাঁর পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হয়েছিল।
সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকার প্রতারণা ও অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্তে জ্যাকুলিনের নাম উঠে আসে। ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাঁকে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তী সময়ে ২০২২ সালের ১৭ আগস্ট ইডি তাঁকে এ মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করে।
মামলার কারণে জ্যাকুলিনের পেশাগত জীবনও আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নাগার্জুনা অভিনীত ‘দ্য ঘোস্ট’ সিনেমা থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এরপর মামলার বিভিন্ন অগ্রগতির কারণে একাধিকবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছেন এই অভিনেত্রী।
কাজের ভিসা নবায়নের জন্য আদালতের অনুমতি পাওয়ায় ভারতে তাঁর পেশাগত কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এই অনুমতি অর্থ পাচার মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো নিষ্পত্তি নয়; মামলাটি এখনো চলমান।