বুধবার ● ৭ অক্টোবর ২০২৬ ● ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের রায় স্থগিত   ডিজিটাল ফরেনসিক জটে থমকে হাজারো মামলার তদন্ত   যুক্তরাজ্যে নৌপথে আসা প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার: শাবানা মাহমুদ   ‘এক টাকার মাস্টার’ লুৎফুর রহমানকে বিশেষ সম্মাননা দিল সরকার   মেসি যুগের অবসান, ফুটবলের ইতিহাসে থেকে যাবে এক কিংবদন্তির নাম   ২০২৮ সাল থেকে স্কুলেই নাচ-গান, বাদ্যযন্ত্র ও কেরাত শেখার সুযোগ: প্রধানমন্ত্রী   আবেগঘন বার্তায় অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা হারমানপ্রীতের   
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশকে চায় পাকিস্তানের জামায়াত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৬ পিএম   (ভিজিট : ১২৩)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরান, বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের আমির হাফিজ নাঈম। আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগের প্রধান অগ্রাধিকার ফিলিস্তিন হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘গাজা মার্চে’ হাজারো মানুষের সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

হাফিজ নাঈম বলেন, গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিতে অন্যান্য মুসলিম দেশকেও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্তও ইসরায়েল পুরোপুরি মানছে না। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ইসরায়েলকে আরও উৎসাহিত করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মুসলিম উম্মাহকে সাম্প্রদায়িক, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক বিভাজন ভুলে ফিলিস্তিন ও কাশ্মীরের নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান নাঈম। শিয়া-সুন্নি বিভেদ দূরে রেখে অভিন্ন ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের আমির জানান, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ গাজা ও ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে পালন করবে দলটি। পাশাপাশি পেট্রোলিয়াম লেভি, কর ও মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে ৭ অক্টোবরের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে দাবি করে নাঈম বলেন, ভূখণ্ডটির বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। পশ্চিম তীরেও শিশুদেরসহ ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল বলেও মন্তব্য করেন নাঈম। পরবর্তী ইসরায়েলি সামরিক অভিযান দেশটির নীতিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে উন্মোচিত করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

হামাসের লড়াইকে ‘বৈধ প্রতিরোধ’ হিসেবে উল্লেখ করে নাঈম বলেন, যুদ্ধবিরতি আলোচনাতেও সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আল-আকসা মসজিদের স্বাধীনতার জন্য প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

নাঈম বলেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ দৃঢ় সংকল্প ও সাহসের মাধ্যমে প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী বাহিনীকেও চ্যালেঞ্জ করার সক্ষমতা দেখিয়েছে। ফিলিস্তিনে আরও রক্তপাত বন্ধে মুসলিম দেশগুলোর সরকার ও সেনাবাহিনীর দায়িত্ব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গাজার পরিস্থিতি ইসলামী আন্দোলনগুলোর মধ্যে আরও বেশি ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যেও ফিলিস্তিনিরা হামাসকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জেআই আমির জানান, সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় দলটি ও তাদের দাতব্য সংস্থা আলখিদমত ফিলিস্তিনিদের জন্য ১০ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি মূল্যের ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছে।










  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]