প্রকাশ: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ পিএম (ভিজিট : ৯২)

সংগৃহীত ছবি
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে নিউইয়র্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প, রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মতো শীর্ষ নেতারা অংশ নিলেও অনুপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী বিশ্বনেতা। আন্তর্জাতিক এ গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে তাদের অনুপস্থিতির পেছনের কারণগুলো তুলে ধরা হলো:
জার্মানি (ফ্রিডরিখ মার্ৎস): দ্বিতীয় বছর চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করা মার্ৎস দেশে রাজনৈতিক সংকট ও তিনটি রাজ্যের পার্লামেন্ট নির্বাচন ঘিরে বিরোধীদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ সামলাতে নিউইয়র্ক যাননি। তার বদলে প্রতিনিধিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুল।
ইতালি (জর্জিয়া মেলোনি): দেশের জরুরি ও বকেয়া অভ্যন্তরীণ কাজ সামলাতে সশরীরে উপস্থিতি এড়িয়ে গেছেন ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনে বক্তৃতা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি।
দক্ষিণ আফ্রিকা (সিরিল রামাফোসা): ভারতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে চিকিৎসাজনিত বিশ্রামে আছেন প্রেসিডেন্ট রামাফোসা। তার স্থানে প্রতিনিধিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোনাল্ড লামোলা।
মিশর (আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি): ২০২০ সালের পর থেকে সশরীরে অধিবেশনে না যাওয়া আল-সিসি এবারও অনুপস্থিত ছিলেন। সুনির্দিষ্ট কারণ না জানালেও তার প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা মাদবৌলি।
নাইজেরিয়া (বোলা টিনুভু): আগস্টের শেষ দিক থেকে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে থাকায় অধিবেশনে অংশ নেননি তিনি। নাইজেরিয়ার পক্ষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিত্ব করেন উপ-রাষ্ট্রপতি কাশিম শেটিমা।
ভারত (নরেন্দ্র মোদি): ২০২১ সালের পর থেকে ইউএনজিএ-তে নিয়মিত না যাওয়া মোদির নাম প্রাথমিক বক্তার তালিকায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়। বরাবরের মতো এবারও ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর।
চীন (শি জিনপিং): বহুপক্ষীয় কূটনীতির চেয়ে দ্বিপক্ষীয় পরাশক্তি সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে শি জিনপিং নিউইয়র্ক এড়িয়ে গেছেন। নিউইয়র্ক থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে ওয়াশিংটনে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় সফর, হোয়াইট হাউসের গালা ডিনার ও সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেন তিনি।
রাশিয়া (ভ্লাদিমির পুতিন): জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সম্মেলন সশরীরে এড়িয়ে চলাই পুতিনের সাধারণ রীতি। কোনো কারণ না জানিয়ে বিশেষ ডিক্রির মাধ্যমে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়েছেন।
ফিলিস্তিন (মাহমুদ আব্বাস): ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সশরীরে অংশ নিতে পারেননি মাহমুদ আব্বাস। ফলে গতবারের মতো এবারও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভাষণ দেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট।