| শিরোনাম: |

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের লড়াই এবার ছাড়িয়ে গেল পৃথিবীর সীমানাও! পৃথিবীর কক্ষপথ পেরিয়ে এবার চাঁদের আশপাশকেও সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। শুধু তাই নয়, মহাকাশে এরই মধ্যে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন। আর মার্কিন সামরিক নেতৃত্ব বলছে, চাঁদের কাছাকাছি মহাকাশেও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে সেনাদের।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে মহাকাশকে অস্ত্রমুক্ত রাখার আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস-অস্ত্র মোতায়েন, অন্যদিকে চীনের কড়া হুঁশিয়ারি। যেটা আমরা শুধু এতদিন 'স্টার ওয়ার্স' বা কল্পবিজ্ঞানের সিনেমায় দেখেছি, এবার ঠিক সেটাই বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। কিন্তু মহাকাশে এমন কী ঘটতে যাচ্ছে যার জন্য ২৫ হাজার সেনার এক বিশাল স্পেস ফোর্স তৈরি করছে আমেরিকা? সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন থেকে উঠে এসেছে এক নতুন মহাজাগতিক যুদ্ধের পূর্বাভাস।
যুক্তরাষ্ট্রের এই বড় ধরনের সামরিক পরিকল্পনার কথা উঠে আসে ওয়াশিংটনের বাইরে বুধবার আয়োজিত ‘এয়ার, স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্স’-এ। সম্মেলনে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এবং স্পেস ফোর্সের কমব্যাট ফোর্সেস কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল গ্রেগরি গ্যাগনন মহাকাশের নতুন এই যুদ্ধের ফ্রন্টের কথা জানান। এই চরম পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
স্পেস ফোর্সের কমব্যাট ফোর্সেস কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল গ্রেগরি গ্যাগননের মতে, চীন মহাকাশে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ যুদ্ধকে মহাকাশে ছড়িয়ে দিতে চায়। আর মার্কিন স্বার্থ সুরক্ষায় প্রস্তুত থাকতে সাহায্য করাই স্পেস ফোর্সের কাজ। এর কয়েক দিন আগেই বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক প্রথমবারের মতো প্রকাশ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কক্ষপথে কার্যকর মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র মোতায়েন করেছে।