| শিরোনাম: |
ফাইল ছবি
দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুটি এলএনজি টার্মিনাল একসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ শুরু করায় শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ প্রায় ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর আগে টার্মিনালটির কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায় গ্যাস সরবরাহ কমে গিয়েছিল এবং দেশের মোট সরবরাহ ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে যায়।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সামিটের টার্মিনাল দিয়ে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে ঘণ্টায় প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে সরবরাহ শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে তা সর্বোচ্চ সক্ষমতার দিকে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।
দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য খাতে এর প্রভাব পড়ছিল। বিশেষ করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় অনেক কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছিল না।
এর আগে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া গেলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে তুলনামূলক কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলএনজি টার্মিনাল দুটির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সংকট কিছুটা কমতে পারে। তবে শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এলএনজি আমদানির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন।