প্রকাশ: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:২৯ AM

বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন চৌধুরী নাফিজ সরাফত। তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে আমার কর্মজীবন শুরু। ২০০৮ সালে আইএফআইসি ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক হই। একই বছরের ৩ মার্চ বাংলাদেশ রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়। বাজার স্থিতিশীলতার এ উদ্যোগকে ‘তদবির’ বা ব্যক্তিগত প্রভাব হিসেবে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ ভুল ও বিভ্রান্তিকর।
প্রতিবেদনে রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক বলা হয়েছে। আমি কোনো রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে যুক্ত নই। বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড বা কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার, স্পন্সর কিংবা পরিচালক হিসেবে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না এবং এসব কোম্পানির আইপিও অনুমোদনে আমার কোনো ভূমিকা নেই। ২০১৮ সালে বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সমন্বয়ের সঙ্গে আমাকে যুক্ত করার দাবি ভিত্তিহীন। কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ও লেখক মুশতাক আহমেদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় আমাকে জড়ানো সম্পূর্ণ সাজানো ও মিথ্যা।
তিনি বলেন, পদ্মা ব্যাংক কখনোই স্ট্র্যাটেজিক ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডে বিনিয়োগ করেনি। বোর্ডের অনুমোদনে নিয়ম মেনে একটি অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডে বিনিয়োগ করেছিল। উক্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। প্রতিবেদনে ৮৪ জন ভুয়া কর্মচারী ও ঋণ জালিয়াতির ঘটনা আমার নিয়োগের বহু আগেকার। পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ট্রাস্টের নামে জমি কেনা হয়েছে লটারির মাধ্যমে এবং সব সরকারি ফি পরিশোধ করা হয়েছে। গুলশানের ১০৩ নম্বর সড়কে ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তনও রাজউকের নির্ধারিত নিয়ম ও ফি প্রদানের মাধ্যমেই হয়েছে। সিটিজেন টিভির শেয়ার হস্তান্তর জোরপূর্বক বা মধ্যরাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী আমার ও পরিবারের সম্পত্তি জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আমার সব বিনিয়োগ বাংলাদেশ ব্যাংক-নিয়ন্ত্রিত বৈদেশিক বিনিয়োগ চ্যানেলের মাধ্যমে এসেছে। প্রতিবেদনে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, যা কোনো নথি দ্বারা সমর্থিত নয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: যথাযথ তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এসব প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।