শনিবার ● ৭ নভেম্বর ২০২৬ ● ২২ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: আত্রাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত   ৭ নভেম্বর না হলে দেশ ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত হতনা: নাসের রহমান   শরণখোলায় বিপ্লব ও‌ সংহতি দিবস পালিত    আজানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ছয় মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী   কবিতা চত্বরে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানে বৃদ্ধার দোকান ও নামাজঘর উচ্ছেদ   গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী   সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত   
শেখ মুজিব হত্যার পরদিনই মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন আ.লীগ নেতারা: স্পিকার
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ পিএম   (ভিজিট : ৩২)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা খন্দকার মোশতাক আহমদের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরদিনই আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও তৎকালীন মন্ত্রিসভার সদস্যরা মোশতাকের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণ করেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) প্রকাশিত একটি ভিডিওতে স্পিকারকে এসব কথা বলতে শোনা যায়।

ভিডিওতে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকলেও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পর দেশের কোথাও উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিবাদ হয়নি। এত বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগও তখন নীরব ছিল। আরও দুঃখজনক বিষয় হলো, দলটির নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা পরদিনই খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন। আগের মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ দুই-তিনজন সদস্য ছাড়া বাকিরা সেদিন বিকেলে শপথ নেন।

৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বুঝতে হলে ১৫ আগস্টের ঘটনা থেকে আলোচনা শুরু করতে হবে উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা ও একটি ছোট সেনাদলের হাতে পরিবারের সদস্যদেরসহ নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের পর এতে অংশ নেওয়া সাত-আটজন কর্মকর্তা বঙ্গভবনে অবস্থান নেন এবং বিভিন্নভাবে খন্দকার মোশতাককে সহযোগিতা করেন।

স্পিকার জানান, ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে নেতৃত্বে ছিলেন প্রথম বেঙ্গল ল্যান্সারের উপ-অধিনায়ক মেজর ফারুক রহমান এবং দ্বিতীয় ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশিদ।

তিনি আরও বলেন, ২৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ফারুক-রশিদের নেতৃত্বাধীন ছোট গোষ্ঠীটি রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রভাব বিস্তারের পাশাপাশি সেনাবাহিনীতে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করে। এ লক্ষ্যে প্রতিদিন সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদে রদবদল ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হতো, যাতে ঢাকা শহরে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও সুদৃঢ় হয়।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, খন্দকার মোশতাক আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের নিয়ে প্রতিদিন বঙ্গভবনে বৈঠক করতেন। ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন কিংবা নতুন কাঠামোয় দলটিকে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছিল। একই সময়ে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল বলে মন্তব্য করেন স্পিকার।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]