শনিবার ● ৭ নভেম্বর ২০২৬ ● ২২ কার্তিক ১৪৩৩

শিরোনাম: আত্রাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত   ৭ নভেম্বর না হলে দেশ ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত হতনা: নাসের রহমান   শরণখোলায় বিপ্লব ও‌ সংহতি দিবস পালিত    আজানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ছয় মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী   কবিতা চত্বরে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানে বৃদ্ধার দোকান ও নামাজঘর উচ্ছেদ   গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী   সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত   
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মহাসনদ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম   (ভিজিট : ৮৫)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল শত্রু ও মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চরম আকার ধারণ করেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২ নভেম্বর দিবাগত রাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দি রেখে দেশের স্বার্থবিরোধী যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করেছিল। এ কারণেই দেশপ্রেমিক, জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর।

তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ম্যাগনা কার্টার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সবার পরিচয় একটাই, আমরা বাংলাদেশি। এই পরিচয়ই জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রাসঙ্গিক থাকবে। এই বিপ্লবের নায়ক দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, ১৯৭১ সালেও একইভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরে অংশ নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, যে দেশের তরুণ প্রজন্ম জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ নয়, সে দেশের জনগণের ঐক্য কখনো সুদৃঢ় হতে পারে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান প্রতিটি ঐতিহাসিক ঘটনায় তরুণ প্রজন্ম প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশের স্বার্থের প্রশ্নে তারা কখনো আপস করেনি। সবার আগে বাংলাদেশ।

তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতে যেন কেউ জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে কিংবা দেশকে অন্যের নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, ৭ নভেম্বর হোক সেই অঙ্গীকারের দিন। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনেপ্রাণে ধারণ করতে হবে।

বর্তমান সরকার সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যতবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবারই ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]