প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪২ এএম (ভিজিট : ১১১)

সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) বছরে ২২৪ কোটি টাকা গৃহকর দিতে হবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে। গৃহকর নির্ধারণ নিয়ে আপিল শুনানি শেষে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এ রায় দিয়েছে। আগের বছরের বকেয়াসহ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বন্দরের কাছ থেকে চসিকের মোট পাওনা দাঁড়িয়েছে ২৫৫ কোটি টাকা।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত আপিল শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চসিকের রাজস্ব সার্কেল-৭-এর কর কর্মকর্তা একেএম সালাহউদ্দিন।
তিনি জানান, গৃহকর নির্ধারণের জন্য চসিক বন্দরের অ্যাসেস ভ্যালু বা সম্পত্তির মূল্যায়িত মূল্য ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছিল। এর ভিত্তিতে বার্ষিক গৃহকর ধার্য করা হয় ২৬৪ কোটি টাকা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চসিকের কাছে আপিল করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে করপোরেশনের শুনানিতে করের পরিমাণ কমানো হয়নি।
নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত করের ৭০ শতাংশ জমা দিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনে ১৯৮ কোটি টাকা জমা দিয়ে আপিল করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায়ে ১৫ শতাংশ কর রহিত করা হয়। এতে বন্দরের বার্ষিক গৃহকর নির্ধারিত হয়েছে ২২৪ কোটি টাকা।
একেএম সালাহউদ্দিন আরও জানান, আগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বছরে ৪৫ কোটি টাকা গৃহকর পেত সিটি করপোরেশন। তবে সারচার্জ বাদ দিলে প্রকৃত গৃহকর আদায়ের পরিমাণ ছিল ৩৫ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁরা এখনো চূড়ান্ত রায়ের বিস্তারিত পাননি। তাই এ মুহূর্তে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছেন না।