প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম (ভিজিট : ৩১১)

রাজধানীর বনশ্রী সোসাইটির কমন ফ্যাসিলিটিজের জায়গা পুনরুদ্ধারের দাবীতে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে বনশ্রীর ডি-ই অ্যাভিনিউ রোডে বনশ্রী সোসাইটির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন শতাধিক বাড়ির মালিক ও প্লট মালিকগণ।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, সোসাইটির জন্মলাভের পর ইস্টার্ন হাউজিং এখানে প্লট বিক্রি করে বিভিন্ন কমন ফ্যাসিলিটিজ বনশ্রী সোসাইটিকে তথা বনশ্রীর বাসিন্দাদের দিবে এই মর্মে একটি পত্র দিয়েছিল। তারা অন্যান্য কমন ফ্যাসিলিটিজ এর সাথে এলাকার মানুষের চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল হবে। লে আউট প্ল্যানে সুনির্দিষ্টভাবে লেখা আছে একটি হাসপাতাল হবে এবং একটি কমিউনিটি ক্লিনিক হবে। এই জায়গাটি একদম খালি ছিল। এই জায়গায় বনশ্রীর বাসিন্দারা, আমাদের ছেলেমেয়েরা ফুটবল খেলত। এইজন্য অনেকের ধারণা যে এটা খেলার মাঠ। কিন্তু বিগত এক মন্ত্রীর হাত ধরে লাঠি ঘুরিয়ে জায়গা দখল করে। আমরা বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ করেছি। এই জায়গার দখল স্বত্ব ফিরে পাওয়ার জন্য চেষ্টা করলাম। আমাদেরকে ভয় ভীতি দেখালো। এই কর্তৃত্ব মেনে নেব না। আমরা এখানে, ধাক্কাধাক্কি করব না। বাড়ির মালিকরা আইনের পথে হাঁটবে। সুনির্দিষ্টভাবে হাসপাতাল এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের জায়গা থাকার পরে বিক্রির অনুমতি কে দিয়েছে? এই জায়গায় কিভাবে প্ল্যান পাস হয়?
বনশ্রী সোসাইটির সভাপতি শাহাবুদ্দিন শিকদার জানান, আমাদের এখানে বড়সড় একটা বাণিজ্যিক ভবন গড়ে উঠছে। এত বড় বিল্ডিংয়ের লোকজন কোথা দিয়ে যাবে? আমাদের জায়গা আইনানুগ পদ্ধতিতে দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ করছি। আমরা যদি আগামী পনেরো দিনের মধ্যে এই জায়গা ফেরত না পাই, তাহলে সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা করবো। এই জায়গা থেকে শেলটেক কে আইনের পথে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে উচ্ছেদ করতে বাধ্য হবো। আমাদের কোনো বাড়ির মালিক, আমাদের কোনো বাড়ির মালিকের সন্তান কেউ এই শেলটেকের বিরুদ্ধে তাদের একটা স্থাপনায় হাত দেবে না। আমরা শক্তি প্রদর্শন করব না। আমরা আইনের পথে হাঁটব এবং আইনের পথে হেঁটে আমরা আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করব। দুঃখের সাথে বলতে হয়, গতকাল থেকে আজকের দিনে বিশেষ করে শেলটেকের পেটোয়া বাহিনী, তাদের ভাড়াটে বিভিন্ন খুনিরা ফেসবুকে এবং আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে এবং কথা বলে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে এই বলে যে তারা এই শেলটেকের ব্যাপারে কোনো আইনানুগ পথে না হাঁটি। তারা আমাদেরকে হত্যা করবে। তাদের পরিচয় দিয়েছে জিসান ও শামীম। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি এই ধরনের কোন মানুষ এটা করছে না। আমরা পরে একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে জেনেছি এই ঘটনা ঘটাচ্ছে এবং তারা নিয়মিতই এই রকম দস্যুবৃত্তি করে থাকে এবং এই রকম পেটোয়া বাহিনী লালন পালন করে জনগণের সম্পত্তি আত্মসাৎ করে। সন্ত্রাসী দিয়ে খুনের ভয় দেখাবেন এটা ঠিক নয়।