ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবার মান কমে যাওয়া এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রোববার বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ফ্রান্সের চলমান অস্থিরতা নিয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, অভিবাসনের কারণে দেশটি সংকটের মুখে পড়েছে। এ সময় অভিবাসীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে তিনি ফ্রান্সের সীমান্ত বন্ধ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আহ্বান জানান।
ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘ফ্রান্স জ্বলছে! সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগতের মানুষ, যাদের হৃদয়ে ঘৃণা, তাদের অভিবাসনের কারণে এককালের মহান দেশটি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই সীমান্ত বন্ধ করুন এবং পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিন!’
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ফ্রান্সের বিক্ষোভের জন্য অভিবাসনকে দায়ী করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও। তাঁর মন্তব্যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, ‘তৃতীয় বিশ্ব থেকে মানুষ আমদানি করার’ কারণেই ফ্রান্সে এ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটের প্রতিবাদে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ চলছে। এসব বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় দেড় হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।