সোমবার ● ৫ অক্টোবর ২০২৬ ● ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. বি. চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ   সামরিক পদক্ষেপ বা নিষেধাজ্ঞায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সমাধান সম্ভব নয়: আরাগচি   প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক, আলোচনায় বাণিজ্য-শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়   টাঙ্গাইলে ছিনতাইকারীদের হামলায় ট্রাকচালক নিহত, আটক ২   সহকারী কমিশনার মাইনুল ইসলাম খানকে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবর্ধনা প্রদান   দেড় দশক পর চাকরিতে ফিরলেন হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করা দুদকের কর্মকর্তা   ট্রাম্প-তারেকের ছবি হোয়াইট হাউসের, দূতাবাসও শেয়ার করেছে: মাহদী আমিন   
জিয়াউল আহসানের মামলায় দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন তদন্ত কর্মকর্তা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩২ এএম   (ভিজিট : ৪৭)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

রোববার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে তার অসম্পন্ন জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

প্রসিকিউশন জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ওই দিন তিনি আংশিক জবানবন্দি দেন। বাকি অংশের জবানবন্দির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে কোথায় কোথায় গেছেন, কী কী তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং সেগুলো কীভাবে মামলার অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা তুলে ধরবেন।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও জেরা শেষ হলে আসামিপক্ষ চাইলে সাফাই সাক্ষ্য দিতে পারবে। এরপর মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হবে।

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর জিয়াউলের মামলায় সাক্ষ্য দেন কামরুল ইসলাম। তদন্তকালে বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা আলামতের তথ্য ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন তিনি। একই দিন মামলার ১৩তম সাক্ষী র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। তিনি ছিলেন মামলার সর্বশেষ চাক্ষুষ সাক্ষী।

এ মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যা করা হয়।

দ্বিতীয় অভিযোগের অপরাধের সময়কাল ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল। এ সময়ে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ জনকে হত্যার কথা বলা হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লেখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনকে হত্যা করা হয়।

এসব হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এর আগে ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন প্রসিকিউশন ফরমাল চার্জ দাখিল করে।










  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]