সোমবার ● ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: দুই মাসে বিদেশি ঋণ শোধ ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা   সংবিধানে পুনর্বহাল হচ্ছে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস   লোহাগড়ায় প্রয়াত সঙ্গীত শিল্পী মিলু ঠাকুরের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত    পাটওয়ারীর ‘অসংলগ্ন কথাবার্তা’ বলার অভ্যাস আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   কৃষকরাই দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ: রাষ্ট্রপতি   মোজতবা আলী খামেনির চিকিৎসাধীন হাসপাতালে ফের মার্কিন হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার   জাসদ কার্যালয়ে অভিযানে আটক ২৪৯ জন মুক্ত, ২৯ জন এখনও হেফাজতে   
ধ্বংসস্তূপের মাঝেই রাড্ডা ক্লিনিকে শতাধিক শিশুকে টিকাদান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম   (ভিজিট : ৫৫)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার বলেন, ‘এ এলাকার অধিকাংশ মানুষ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল। তাই ক্লিনিকটি ধ্বংস করে দেওয়ার পরও ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই টিকাদান ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।’

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এক দিন পরই সড়কের পাশে খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল টাঙিয়ে শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ কার্যক্রমে ১০০ জনের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়।

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, ‘আজকে ১০০-এর বেশি শিশু টিকা নিয়েছে। যেহেতু এই এলাকার মানুষ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল, তাই ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই টিকাদান ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।’

নিরাপত্তা ও স্থানীয়দের সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়েছে। এলাকাবাসীও আমাদের সঙ্গে আছেন। তাই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই আমাদের টিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে।’

সেবা কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে নাসরিন আখতার বলেন, ‘আমরা আজ এই ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই বসে টিকা দিচ্ছি। তবে এটি একদিনে তৈরি হয়নি। আমরা দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কাজ করছি। এলাকার মানুষের আস্থা এবং আমাদের আন্তরিকতার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, অসংখ্য নারী-পুরুষ, বাবা-মা তাঁদের সন্তানদের নিয়ে টিকা দিতে এবং বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসছেন।’

তবে উচ্ছেদের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হওয়ার চিত্র তুলে ধরে আক্ষেপ প্রকাশ করেন নাসরিন আখতার। তিনি বলেন, ‘গর্ভবতী মায়েদের সেবা নেওয়ার জন্য এসে অনেকে ফিরে যাচ্ছেন। আমাদের ভেতরে তো কিছুই নেই। আমাদের সব যন্ত্রপাতি নিয়ে গেছে।’









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]